গ্যাস সংকটের মধ্যে বাংলাদেশজুড়ে বেড়েছে লোডশেডিং। তীব্র গরমের সময় দিনের পাশাপাশি রাতেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ। দেশের বিভিন্ন এলাকায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে। শিল্পাঞ্চলেও এর প্রভাব পড়েছে। জ্বালানি সংকটে নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের কিছু কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার খবর এসেছে।
বিদ্যুৎ খাত সংশ্লিষ্টদের মতে, বর্তমান সংকটের পেছনে মূলত তিনটি বিষয় বড় ভূমিকা রাখছে। এলএনজি সরবরাহে সমস্যা, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি ও কারিগরি সংকট এবং বিদ্যুৎ খাতের বকেয়া অর্থের চাপ—এই তিন কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের চাপ তৈরি হয়েছে।
দেশের বিভিন্ন জেলার বাসিন্দারা বলছেন, দিনের নির্দিষ্ট কোনো সময় নয়, প্রায় সব সময়ই বিদ্যুৎ আসা-যাওয়া করছে। কোথাও এক ঘণ্টা বিদ্যুৎ থাকার পর দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। আবার অনেক এলাকায় গভীর রাতেও দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ থাকছে না।
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জের বাসিন্দাদের অভিযোগ, দিনের পাশাপাশি রাতেও নিয়মিত বিদ্যুৎ বিভ্রাট হচ্ছে। মাগুরাতেও একই ধরনের পরিস্থিতির কথা জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তীব্র গরমের মধ্যে দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়ছে শিশু ও বয়স্করা। রাতে বিদ্যুৎ চলে গেলে ঘুমের পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। দিনের বেলায় ফ্যান ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক যন্ত্র চালাতে না পারায় অস্বস্তি আরও বাড়ছে।
গ্রামাঞ্চলের পরিস্থিতি তুলনামূলকভাবে বেশি খারাপ বলে অভিযোগ রয়েছে। কোনো কোনো এলাকায় দিনে-রাতে মিলিয়ে ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিং হচ্ছে বলে জানা যাচ্ছে।
বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের বড় একটি অংশ গ্যাসভিত্তিক। ফলে গ্যাস সরবরাহে সমস্যা দেখা দিলে সরাসরি তার প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে।
বর্তমান সংকটের অন্যতম বড় কারণ মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে যান্ত্রিক ত্রুটি। এর ফলে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।
গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর চাহিদার তুলনায় অনেক কম গ্যাস পাওয়া যাচ্ছে। ফলে সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও অনেক কেন্দ্র পূর্ণ ক্ষমতায় বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারছে না।
পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর দৈনিক গ্যাসের চাহিদা ছিল প্রায় ২ হাজার ৫২৪ মিলিয়ন ঘনফুট। এর বিপরীতে মঙ্গলবার সরবরাহ করা হয়েছে মাত্র ৭৪৪ মিলিয়ন ঘনফুট।
অর্থাৎ চাহিদার তুলনায় সরবরাহে বড় ঘাটতি রয়েছে। আর এই ঘাটতির প্রভাব সরাসরি বিদ্যুৎ উৎপাদনে পড়ছে।
বাংলাদেশের বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থায় গ্যাসের গুরুত্ব অনেক বেশি। দেশীয় গ্যাসের পাশাপাশি আমদানি করা এলএনজিও বিদ্যুৎকেন্দ্র ও অন্যান্য শিল্পে ব্যবহার করা হয়।
মহেশখালীর এলএনজি টার্মিনালে যান্ত্রিক সমস্যার কারণে সরবরাহ কমে যাওয়ায় গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো জ্বালানি সংকটে পড়েছে।
জ্বালানি বিশেষজ্ঞ ড. শামসুল আলমের মতে, এলএনজি সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত লোডশেডিং কমানোর সুযোগ সীমিত।
তার মতে, বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যয় কমানোর পাশাপাশি জ্বালানি সরবরাহ বাড়ানোর দিকে নজর দিতে হবে।
এখানে সমস্যাটা অনেকটা এমন—বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, উৎপাদনের সক্ষমতাও আছে, কিন্তু চালানোর মতো পর্যাপ্ত জ্বালানি নেই। ফলে কাগজে-কলমে বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা যতই বেশি থাকুক, বাস্তবে সেই পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপাদন করা সম্ভব হচ্ছে না।
শুধু গ্যাসের সংকটই নয়, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোতেও সমস্যা রয়েছে।
দেশের বড় কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর মধ্যে কোনো কোনো কেন্দ্রে কয়লা সরবরাহে সমস্যা হয়েছে। আবার কারিগরি ত্রুটির কারণে বড়পুকুরিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদনও ব্যাহত হয়েছে।
ফলে গ্যাসভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর ঘাটতি পূরণে কয়লাভিত্তিক কেন্দ্রগুলোর ওপর অতিরিক্ত নির্ভর করার সুযোগও কমে গেছে।
বিদ্যুৎ উৎপাদনের বিভিন্ন উৎস একই সময়ে সমস্যায় পড়লে জাতীয় গ্রিডে স্বাভাবিকভাবেই চাপ বাড়ে। তখন চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য রাখতে বিতরণ পর্যায়ে লোডশেডিং করতে হয়।
বিদ্যুৎ খাতের আরেকটি বড় সমস্যা হলো বিভিন্ন বেসরকারি বিদ্যুৎকেন্দ্র ও বিদ্যুৎ আমদানিকারকদের কাছে সরকারের বকেয়া অর্থ।
বিদ্যুৎকেন্দ্র পরিচালনার জন্য নিয়মিত জ্বালানি কেনা, রক্ষণাবেক্ষণ এবং অন্যান্য খরচ প্রয়োজন। কিন্তু বড় অঙ্কের বকেয়া জমে গেলে পুরো সরবরাহ ব্যবস্থায় আর্থিক চাপ তৈরি হয়।
ফলে জ্বালানি সংগ্রহ থেকে শুরু করে বিদ্যুৎ উৎপাদন পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে জটিলতা তৈরি হতে পারে।
এ কারণেই বিদ্যুৎ খাতের বর্তমান পরিস্থিতিকে শুধু একটি সাময়িক কারিগরি সমস্যা হিসেবে দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা। জ্বালানি, উৎপাদন ও অর্থায়ন—তিনটি বিষয়ই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।
বাংলাদেশে বিদ্যুতের সর্বোচ্চ চাহিদা বর্তমানে ১৮ হাজার ৫০০ মেগাওয়াটের কিছু বেশি। অন্যদিকে দেশের মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা কাগজে-কলমে প্রায় ৩৩ হাজার ৯২ মেগাওয়াট।
তাহলে এত বড় ব্যবধান থাকা সত্ত্বেও লোডশেডিং হচ্ছে কেন?
এর মূল উত্তর হলো, উৎপাদন সক্ষমতা আর বাস্তব উৎপাদন এক জিনিস নয়।
একটি বিদ্যুৎকেন্দ্রের উৎপাদন ক্ষমতা ৫০০ মেগাওয়াট হলেও পর্যাপ্ত গ্যাস বা কয়লা না থাকলে সেটি ৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদন করতে পারবে না। আবার কোনো কেন্দ্র কারিগরি সমস্যায় বন্ধ থাকলেও কাগজে তার সক্ষমতা হিসাবের মধ্যে থেকে যায়।
ফলে মোট সক্ষমতার সংখ্যা দেখলেই বাস্তবে কত বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে, তা বোঝা যায় না।
বর্তমান পরিস্থিতির ভয়াবহতা বোঝাতে সাম্প্রতিক একটি হিসাব গুরুত্বপূর্ণ।
এক দিনে দুপুরে ১৬ হাজার ২৬২ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ করা হয়েছিল ১২ হাজার ৫০৫ মেগাওয়াট।
অর্থাৎ ওই সময় ঘাটতি ছিল ৩ হাজার ৭৫৭ মেগাওয়াট।
এমন ঘাটতি তৈরি হলে বিদ্যুৎ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে বিভিন্ন এলাকায় পর্যায়ক্রমে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখতে হয়। এর ফলে গ্রাহকদের কাছে লোডশেডিং হিসেবে পরিস্থিতিটি দৃশ্যমান হয়।
পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার ঢাকা জোনেও চাহিদার তুলনায় উল্লেখযোগ্য ঘাটতি ছিল। ৬ হাজার ৪৩২ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে ৫৮৫ মেগাওয়াট লোডশেডিংয়ের তথ্য পাওয়া যায়।
বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংকটের প্রভাব শুধু বাসাবাড়িতে সীমাবদ্ধ নেই। দেশের শিল্প খাতেও এর প্রভাব পড়ছে।
নারায়ণগঞ্জ ও গাজীপুরের শিল্পাঞ্চলে জ্বালানি সংকটের কারণে কিছু কারখানায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার কথা জানিয়েছেন উদ্যোক্তারা।
নিট পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিকেএমইএর সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম জানিয়েছেন, আগের দিন কিছুটা জ্বালানি পাওয়া গেলেও পরবর্তী সময়ে সেই সরবরাহও বন্ধ হয়ে যায়।
শিল্পকারখানায় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় উৎপাদন বন্ধ থাকলে শুধু কারখানার উৎপাদন নয়, শ্রমিকদের কর্মঘণ্টা, রপ্তানি এবং ব্যবসার সামগ্রিক ব্যয়েও প্রভাব পড়ে।
দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎ না থাকায় গ্রাহকদের ক্ষোভও বাড়ছে। কোথাও কোথাও বিদ্যুৎ অফিস ও উপকেন্দ্রে হামলা ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে।
দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে পল্লী বিদ্যুতের এরিয়া অফিসে হামলার খবর পাওয়া গেছে। পার্বতীপুর জোনাল অফিসের আওতাধীন ভবের বাজার ইনডোর উপকেন্দ্রেও হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে।
এমন পরিস্থিতিতে বিদ্যুৎ বিভাগের স্থাপনা ও কর্মীদের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুৎ অ্যাসোসিয়েশন এ বিষয়ে পুলিশ মহাপরিদর্শকের কাছে নিরাপত্তা চেয়ে চিঠি দিয়েছে।
সংগঠনটির দাবি, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতিগুলোর এলাকায় গড়ে ৮ থেকে ৯ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা থাকলেও সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে প্রায় ৫ থেকে ৬ হাজার মেগাওয়াট।
ফলে চাহিদা ও সরবরাহের বড় ব্যবধানের কারণে গ্রাহকদের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে।
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. রেজাউল করিম জানিয়েছেন, পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি, পিডিবি ও নেসকোসহ বিতরণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকে লোড ম্যানেজমেন্টে সমন্বয় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
অর্থাৎ কোনো একটি এলাকায় অতিরিক্ত লোডশেডিং এবং অন্য এলাকায় তুলনামূলক কম লোডশেডিং—এ ধরনের বৈষম্য কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।
গ্রাহকদের সঙ্গে যোগাযোগের মাধ্যমেও পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত জানিয়েছেন, বিদ্যুৎ পরিস্থিতি কিছুটা উন্নত করার জন্য সরকার কৌশল নিয়েছে।
তার আশা, ১২ আগস্ট সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হতে পারে।
তবে পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে কত সময় লাগবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া হয়নি।
কারণ এলএনজি টার্মিনালের সমস্যা পুরোপুরি সমাধান না হলে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে না। আবার দেশীয় গ্যাস উৎপাদন রাতারাতি বাড়ানোও সম্ভব নয়।
ফলে আগামী কয়েক দিন পরিস্থিতি কতটা উন্নত হয়, তা অনেকটাই নির্ভর করবে জ্বালানি সরবরাহের ওপর।
বিদ্যুৎ সংকট মোকাবিলায় সরকার বিদ্যুৎ ব্যবহারে আরও কিছু বিধিনিষেধ আরোপ করেছে।
নতুন নির্দেশনা অনুযায়ী, দেশের সব শপিংমল, মার্কেট ও দোকান রাত ৮টার মধ্যে বন্ধ করতে হবে। একই সঙ্গে সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে আলোকিত বিলবোর্ড বন্ধ করতে হবে।
আলোকসজ্জাও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মেলা, বাণিজ্য মেলা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রেও রাত ৮টার সময়সীমা প্রযোজ্য হবে।
তবে খাবারের দোকান, হাসপাতাল, ওষুধের দোকানসহ জরুরি সেবাগুলো এই নির্দেশনার বাইরে থাকবে।
বাংলাদেশের বর্তমান লোডশেডিং সংকট মূলত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার অভাবের চেয়ে জ্বালানি ও সরবরাহ ব্যবস্থার সমস্যার সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
এলএনজি সরবরাহ স্বাভাবিক হলে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর উৎপাদন বাড়তে পারে। একই সঙ্গে কয়লা সরবরাহ ও বড় বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর কারিগরি সমস্যা সমাধান করাও জরুরি।
এর পাশাপাশি বিদ্যুৎ খাতের বকেয়া অর্থের বিষয়টিও দীর্ঘমেয়াদে সমাধান করতে হবে।
অর্থাৎ সাময়িকভাবে লোডশেডিং কমানোর উদ্যোগ নেওয়া গেলেও ভবিষ্যতে স্থিতিশীল বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত করতে জ্বালানি নিরাপত্তা, বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্ভরযোগ্যতা এবং আর্থিক ব্যবস্থাপনা—এই তিন ক্ষেত্রেই সমন্বিত পদক্ষেপ প্রয়োজন।
বর্তমানে সাধারণ মানুষের সবচেয়ে বড় প্রত্যাশা অবশ্য একটাই—তীব্র গরমের মধ্যে দ্রুত বিদ্যুৎ পরিস্থিতি স্বাভাবিক হোক এবং দিনের পাশাপাশি রাতের দীর্ঘ লোডশেডিং থেকে মুক্তি মিলুক।
সূত্র: বিবিসি বাংলা।

