জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে বুধবার সকাল থেকে দেশের বেনাপোল-পেট্রাপোল স্থলবন্দর দিয়ে দু‘দেশের মধ্যে সব ধরনের আমদানি-রপ্তানিসহ বন্দর ও কাস্টমসের কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। তবে দু‘দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী যাতায়াত রয়েছে স্বাভাবিক। আমদানি রপ্তানি বন্ধ থাকার কারণে দু দেশের বন্দর এলাকায় আটকা পড়েছে শতশত পন্য বাহী ট্রাক।
বন্দর কর্তৃপক্ষসহ বেনাপোল সিএন্ডএফ এজেন্টস স্টাফ এসোসিয়েশনের সাধারন সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি। জানান,বুধবার জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে সরকারি ছুটি থাকায়-বেনাপোল বন্দর দিয়ে কোন আমদানি-রপ্তানি হচ্ছে না। বন্ধ রয়েছে কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সকাল থেকে পুনরায় আমদানি-রপ্তানি চালু হবে এবং কাস্টমস ও বন্দরের কার্যক্রম চলবে। আমদানি রপ্তানি কার্যক্রম বন্ধ থাকার কারনে দু দেশের বন্বদর এলাকায় আটকা পড়েছে শতশত পন্য বাহী ট্রাক যার অধিকাংশই রয়েছে বাংলাদেশের শতভাগ রফতানি মুখি গার্মেন্টস শিল্পের কাচামাল রয়েছে ।
বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট পুলিশ ইমিগ্রেশনের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুর রহমান জানান, বেনাপোল বন্দর দিয়ে বুধবার আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্য বন্ধ থাকলেও দু‘দেশের মধ্যে পাসপোর্টযাত্রী চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক (ট্রাফিক)শামীম হোসেন জানান,জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে সরকারি ছুটি থাকায় বুধবার বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি-রপ্তানিসহ কাস্টমস ও বন্দরের সকল কার্যক্রম বন্ধ আছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে পুনরায় আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম শুরু হবে।
উল্লেখ্য,প্রতিদিন বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে ২৫০ থেকে ৩০০ ট্রাক বিভিন্ন ধরনের পণ্য আমদানি করা হয়ে থাকে। ভারতে রফতানি হয় ৮০ থেকে ৯০ ট্রাক পণ্য। আমদানি বাণিজ্য থেকে প্রতিদিন সরকারের রাজস্ব আসে ৩০ থেকে ৪০ কোটি টাকা।

