খবর পান সবার আগে

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। আমাদের নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন এবং দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদগুলো প্রতিদিন আপনার ইমেইলে পান।

― Advertisement ―

spot_imgspot_img
Homeজাতীয়সামিট-এক্সিলারেট টার্মিনাল চালু, বাড়ল গ্যাস সরবরাহ, কিছুটা কমতে পারে সংকট

সামিট-এক্সিলারেট টার্মিনাল চালু, বাড়ল গ্যাস সরবরাহ, কিছুটা কমতে পারে সংকট

স্বাভাবিক সময়েও গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ব্যবধান থাকে। সে কারণে রেশনিং করে বিভিন্ন খাতে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। স্বাভাবিক সময়ে সর্বোচ্চ প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়।

টানা ২৫ দিন ধরে চলা তীব্র গ্যাস সংকটের মধ্যে কিছুটা স্বস্তির খবর এসেছে। কক্সবাজারের মহেশখালীতে থাকা এলএনজি সরবরাহের দুটি ভাসমান টার্মিনালের মধ্যে সামিটের টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় এবং এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল আংশিকভাবে চালু হওয়ায় শনিবার ভোর থেকে দেশে গ্যাস সরবরাহ বেড়েছে। ফলে বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র ও সিএনজি স্টেশন—বিভিন্ন খাতে গ্যাসের সংকট কিছুটা কমার আশা করা হচ্ছে।

তবে সরবরাহ বাড়লেও সংকট পুরোপুরি কাটেনি। স্বাভাবিক চাহিদার তুলনায় এখনও দেশে প্রতিদিন প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে। এক্সিলারেট এনার্জির ক্ষতিগ্রস্ত বয়লার পুরোপুরি চালু করা সম্ভব হলে এই ঘাটতি আরও কমতে পারে। তবে সেটি চালু করতে টার্মিনাল থেকে প্রায় ৭২ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখতে হবে। ফলে আগামী কয়েক দিন গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে কিছুটা চাপ তৈরি হওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

এলএনজি সরবরাহের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীল কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার ভোর ৪টা থেকে সামিটের টার্মিনাল দিয়ে প্রায় ৪৬ কোটি ঘনফুট এবং এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল দিয়ে প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে।

পেট্রোবাংলার চেয়ারম্যান মো. আবদুল মান্নান জানিয়েছেন, বর্তমানে দুটি টার্মিনাল থেকেই গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছে। সামিটের টার্মিনাল পূর্ণ সক্ষমতায় চলছে। অন্যদিকে এক্সিলারেটের টার্মিনাল আংশিক সক্ষমতায় গ্যাস সরবরাহ করছে।

সরবরাহ বাড়ায় দেশের বিভিন্ন শ্রেণির গ্রাহক কিছুটা স্বস্তি পাবেন বলে আশা করছে পেট্রোবাংলা।

তবে বর্তমান সরবরাহকে স্বাভাবিক পরিস্থিতি বলা যাচ্ছে না। কারণ দেশের মোট গ্যাসের চাহিদা এখনও সরবরাহের চেয়ে অনেক বেশি।

দেশে প্রতিদিন প্রায় ৩৮০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের প্রয়োজন হয়। তবে ৩০০ কোটি ঘনফুটের মতো গ্যাস সরবরাহ করা সম্ভব হলে মোটামুটি সব খাতে সরবরাহ ধরে রাখা যায়।

স্বাভাবিক সময়েও গ্যাসের চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ব্যবধান থাকে। সে কারণে রেশনিং করে বিভিন্ন খাতে গ্যাস সরবরাহ করা হয়। স্বাভাবিক সময়ে সর্বোচ্চ প্রায় ২৭০ কোটি ঘনফুট পর্যন্ত গ্যাস সরবরাহ করে পরিস্থিতি সামাল দেওয়া হয়।

এর মধ্যে এলএনজি থেকে আসে প্রায় ১০৫ কোটি ঘনফুট গ্যাস। এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল বন্ধ হওয়ার আগে এলএনজি সরবরাহ এই পর্যায়েই ছিল।

কিন্তু এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর হঠাৎ করেই সরবরাহে বড় ধাক্কা লাগে। এর প্রভাব পড়ে দেশের প্রায় সব ধরনের গ্যাসভিত্তিক গ্রাহকের ওপর।

আরও পড়ুন :  গ্রেফতার হাজার হাজার, তবুও কেন ঢাকাকে নিরাপদ করা যাচ্ছে না?

গ্যাস সংকটের ভয়াবহতা বোঝা যায় সাম্প্রতিক সরবরাহের হিসাব দেখলেই। শুক্রবার বিকেলে দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ নেমে এসেছিল মাত্র ১৭৩ কোটি ঘনফুটে।

বর্তমানে দুটি টার্মিনাল থেকে সরবরাহ বাড়ায় দেশের মোট গ্যাস সরবরাহ প্রায় ২৪০ কোটি ঘনফুটে উঠেছে।

অর্থাৎ মাত্র একদিনের ব্যবধানে সরবরাহে উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। কিন্তু প্রয়োজনের তুলনায় এখনও ঘাটতি রয়েছে।

বর্তমান সরবরাহ দিয়ে পরিস্থিতি কিছুটা সামাল দেওয়া গেলেও স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরতে আরও গ্যাস প্রয়োজন। এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনাল পুরোপুরি চালু হলে সেই ঘাটতি অনেকটাই কমে আসতে পারে।

গ্যাস সংকটের সাম্প্রতিক বড় কারণ এক্সিলারেট এনার্জির এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ হয়ে যাওয়া।

গত ২১ জুলাই অগ্নিদুর্ঘটনার পর টার্মিনালটি বন্ধ হয়ে যায়। ফলে দেশের এলএনজি সরবরাহে বড় ধরনের ঘাটতি তৈরি হয়।

এলএনজি হচ্ছে তরল অবস্থায় রাখা প্রাকৃতিক গ্যাস। আমদানি করা এই গ্যাস মহেশখালীর ভাসমান টার্মিনালে এনে পুনরায় গ্যাসে রূপান্তর করা হয়। এরপর পাইপলাইনের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়।

তাই এই টার্মিনালগুলোর যেকোনও একটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেলে জাতীয় গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় বড় ধরনের প্রভাব পড়ে।

এক্সিলারেটের টার্মিনাল বন্ধ হওয়ার পর রান্নার গ্যাস সরবরাহ থেকে শুরু করে শিল্পকারখানা এবং বিদ্যুৎ উৎপাদন পর্যন্ত বিভিন্ন ক্ষেত্রে সংকট তৈরি হয়।

গ্যাসের ঘাটতির সরাসরি প্রভাব পড়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনে। গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলো প্রয়োজনীয় জ্বালানি না পাওয়ায় উৎপাদন কমে যায়।

এর ফলে দেশের বিভিন্ন এলাকায় লোডশেডিং বেড়ে যায়। বিশেষ করে দীর্ঘ সময় ধরে গ্যাস সংকট চলায় বিদ্যুৎ সরবরাহ ব্যবস্থার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি হয়।

অন্যদিকে শিল্পকারখানাগুলোতেও উৎপাদন ব্যাহত হয়। গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল কারখানাগুলো প্রয়োজনীয় চাপ না পাওয়ায় উৎপাদন স্বাভাবিক রাখতে পারেনি।

অর্থাৎ একটি এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ হওয়ার প্রভাব শুধু গ্যাসের চুলায় সীমাবদ্ধ থাকেনি। এর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে বিদ্যুৎ, শিল্প, পরিবহনসহ অর্থনীতির বিভিন্ন খাতে।

গ্যাস সংকটের আরেকটি দৃশ্যমান প্রভাব দেখা গেছে সিএনজি স্টেশনগুলোতে।

গ্যাসের সরবরাহ কমে যাওয়ায় অনেক সিএনজি স্টেশনে প্রয়োজনীয় চাপ পাওয়া যাচ্ছিল না। ফলে যানবাহনগুলোতে গ্যাস নিতে দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়েছে।

সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের চালকদের অনেক সময় ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে। এতে যাত্রীদেরও ভোগান্তি বেড়েছে।

আরও পড়ুন :  FIFA World Cup Trophy-এর আসল রহস্য! ৬,১৭৫ গ্রাম সোনা আর কোটি টাকার ইতিহাস

গ্যাস সরবরাহ বাড়ায় এখন এসব খাতেও ধীরে ধীরে স্বস্তি ফেরার আশা করা হচ্ছে।

পেট্রোবাংলার সূত্র অনুযায়ী, এক্সিলারেট এনার্জির টার্মিনালে দুটি বয়লার রয়েছে। প্রতিটি বয়লারের সক্ষমতা প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট।

অগ্নিদুর্ঘটনায় একটি বয়লার ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। অন্যটি অক্ষত থাকায় সেটি থেকে গত ৬ আগস্ট গ্যাস সরবরাহ শুরু করা হয়েছিল।

তবে শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে কারিগরি ত্রুটির কারণে এক্সিলারেট থেকে আবার গ্যাস সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। পরে ত্রুটি মেরামত করে অক্ষত বয়লারটি থেকে পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করা হয়েছে।

এখনও আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত বয়লারটি চালু করা সম্ভব হয়নি।

ক্ষতিগ্রস্ত বয়লারটি চালু করার আগে টার্মিনালে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় কাজ করতে হবে। এ সময় পুরো টার্মিনাল থেকে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ রাখতে হবে।

পেট্রোবাংলার তথ্য অনুযায়ী, এর জন্য প্রায় ৭২ ঘণ্টা এক্সিলারেটের টার্মিনাল থেকে সম্পূর্ণভাবে গ্যাস সরবরাহ বন্ধ থাকতে পারে।

কবে এই কাজ শুরু হবে, তা এখনও চূড়ান্ত হয়নি। সংশ্লিষ্টদের মধ্যে এ বিষয়ে আলোচনা চলছে।

অর্থাৎ বর্তমানে এক্সিলারেট থেকে আংশিক সরবরাহ পাওয়া গেলেও ক্ষতিগ্রস্ত বয়লার চালু করার সময় সাময়িকভাবে আবার বড় ধরনের সরবরাহ ঘাটতি তৈরি হতে পারে।

এদিকে শুধু এক্সিলারেটের টার্মিনাল নয়, সামিটের টার্মিনালও কিছুদিন এলএনজি সরবরাহের সংকটে ছিল।

এলএনজি না পাওয়ায় গত সোমবার সামিটের টার্মিনাল থেকে সরবরাহ কমিয়ে দেওয়া হয়। মঙ্গলবার সরবরাহ নেমে আসে প্রায় ২০ কোটি ঘনফুটে।

এরপর বুধবার থেকে বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত মাত্র ১০ কোটি ঘনফুট করে গ্যাস সরবরাহ করা হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টার দিকে সামিটের সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

পরে বঙ্গোপসাগরে একটি এলএনজি জাহাজ পৌঁছানোর পর পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করে।

শুক্রবার বিকেলে ভিটলের একটি এলএনজি জাহাজ বঙ্গোপসাগরে পৌঁছায়। ওই জাহাজ থেকে সন্ধ্যা ৭টার দিকে সামিটের টার্মিনালে এলএনজি খালাস শুরু হয়।

খালাসের কাজ শেষ করতে প্রায় আট ঘণ্টা সময় লাগে। তবে তার আগেই সামিটের টার্মিনালে থাকা মজুত এলএনজি থেকে সন্ধ্যা ৬টা থেকেই গ্যাস সরবরাহ শুরু করা হয়েছিল।

শুরুতে সরবরাহের পরিমাণ ছিল প্রায় সাড়ে ৯ কোটি ঘনফুট। পরে ধীরে ধীরে তা বাড়িয়ে শনিবার ভোরে প্রায় ৪৬ কোটি ঘনফুটে নিয়ে যাওয়া হয়।

আরও পড়ুন :  যুক্তরাষ্ট্র-ইরান শান্তি আলোচনা ভেঙে গেল: বৈঠক বর্জন করল ইরান

সামিটের পক্ষ থেকে সরবরাহ আরও ৭ থেকে ৮ কোটি ঘনফুট বাড়ানোর সম্ভাবনাও রয়েছে।

এলএনজি সরবরাহ নিয়ে সম্প্রতি আরেকটি জটিলতা তৈরি হয়েছিল। বঙ্গোপসাগরে আসা সৌদি আরামকোর একটি এলএনজি জাহাজ শেষ পর্যন্ত ফেরত পাঠানো হয়েছে।

পেট্রোবাংলার কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নিয়মিত যে ধরনের এলএনজি জাহাজ মহেশখালীর টার্মিনালগুলোতে আসে, ওই জাহাজটির সঙ্গে জাহাজ-থেকে-জাহাজে এলএনজি স্থানান্তরের প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য ছিল না।

এ ধরনের সামঞ্জস্য না থাকলে এলএনজি স্থানান্তরের সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই টার্মিনাল কর্তৃপক্ষ আগেই আপত্তি জানিয়েছিল।

এরপরও জাহাজটি বাংলাদেশে আসে এবং কয়েক দিন সমুদ্রে অপেক্ষা করে। শেষ পর্যন্ত সেটি থেকে এলএনজি নেওয়া সম্ভব হয়নি।

পেট্রোবাংলার দুই কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী, সমুদ্র কিছুটা উত্তাল থাকাও এর একটি কারণ ছিল। সমুদ্র শান্ত থাকলে হয়তো জাহাজটি থেকে এলএনজি নেওয়ার সুযোগ তৈরি হতে পারত।

এখন ওই জাহাজের পরিবর্তে সৌদি আরামকো আরেকটি এলএনজি জাহাজ পাঠাবে বলে জানানো হয়েছে।

অন্যদিকে ভিটল এশিয়ার নতুন জাহাজ থেকে এলএনজি নিতে কোনো সমস্যা হয়নি। মহেশখালীর দুই টার্মিনাল এ ধরনের জাহাজ থেকে নিয়মিত এলএনজি গ্রহণ করে থাকে।

দুটি টার্মিনাল চালু হওয়ায় গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে। শুক্রবার বিকেলে যেখানে মোট সরবরাহ ১৭৩ কোটি ঘনফুটে নেমে গিয়েছিল, সেখানে এখন তা প্রায় ২৪০ কোটি ঘনফুটে উঠেছে।

এটি অবশ্যই বড় ধরনের উন্নতি। কিন্তু দেশের স্বাভাবিক প্রয়োজনের তুলনায় এখনও সরবরাহ কম।

বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় ৩০ কোটি ঘনফুট গ্যাসের ঘাটতি রয়েছে। এক্সিলারেট এনার্জির ক্ষতিগ্রস্ত বয়লার পুরোপুরি চালু হলে এই ঘাটতি অনেকটাই পূরণ হতে পারে।

তবে সেটি চালু করতে গিয়ে আবার প্রায় ৭২ ঘণ্টা সরবরাহ বন্ধ রাখতে হবে। ফলে পুরো পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে আরও কয়েক দিন সময় লাগতে পারে।

সব মিলিয়ে টানা ২৫ দিনের তীব্র সংকটের পর সামিট ও এক্সিলারেট টার্মিনাল থেকে সরবরাহ শুরু হওয়ায় কিছুটা স্বস্তির পরিবেশ তৈরি হয়েছে। এখন নজর থাকবে এক্সিলারেটের ক্ষতিগ্রস্ত বয়লার কবে পুরোপুরি চালু হয় এবং এলএনজি আমদানির পরবর্তী জাহাজগুলো সময়মতো দেশে পৌঁছাতে পারে কি না। এগুলোর ওপরই আগামী দিনগুলোতে দেশের গ্যাস সরবরাহ পরিস্থিতির বড় অংশ নির্ভর করবে।

আর্কাইভ