খবর পান সবার আগে

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। আমাদের নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন এবং দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদগুলো প্রতিদিন আপনার ইমেইলে পান।

― Advertisement ―

spot_imgspot_img
Homeবিশ্ব সংবাদওয়েস্ট বেঙ্গলকলকাতার মরণফাঁদ হোটেল! ১১০০ বর্গফুটে ৫ ঘর, পাশেই আরও বিপজ্জনক গেস্ট হাউস

কলকাতার মরণফাঁদ হোটেল! ১১০০ বর্গফুটে ৫ ঘর, পাশেই আরও বিপজ্জনক গেস্ট হাউস

প্রথম তলায় একাধিক হোটেলের উপস্থিতি চোখে পড়ে। প্রতিটি তলায় কতজন অতিথি থাকেন, তার নির্দিষ্ট হিসাব বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই। কিন্তু এক ভবনের মধ্যে একাধিক আবাসিক হোটেল থাকায় অগ্নিকাণ্ডের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে একসঙ্গে বহু মানুষকে বের করে আনার প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

কলকাতার নিউ মার্কেট এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটে ‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর সামনে এসেছে আরও একটি উদ্বেগজনক ছবি। মাত্র ১১০০ বর্গফুট জায়গার মধ্যে পাঁচটি ঘর ও শৌচালয় নিয়ে চলছিল হোটেল। অগ্নিকাণ্ডে সেখানে প্রাণ হারিয়েছেন ন’জন। ঘটনার পর প্রশ্ন উঠেছে শুধু একটি হোটেলের নিরাপত্তা নিয়ে নয়, গোটা নিউ মার্কেট এলাকার ছোট ছোট হোটেল ও গেস্ট হাউসগুলির অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও।

নিউ মার্কেট, ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, মার্কুইস স্ট্রিট এবং মির্জা গালিব স্ট্রিট—এই বিস্তীর্ণ এলাকায় অল্প জায়গার মধ্যে গজিয়ে উঠেছে বহু হোটেল ও গেস্ট হাউস। চিকিৎসা, ব্যবসা কিংবা কেনাকাটার কাজে কলকাতায় আসা বহু বাংলাদেশি নাগরিকও এই এলাকার হোটেলগুলিতে থাকেন। বাইরে থেকে দেখলে কোথাও আধুনিক সুযোগ-সুবিধার অভাব নেই। কোথাও ফ্রি ওয়াই-ফাই, কোথাও সিসিটিভি, কোথাও ঝকঝকে সাইনবোর্ড। কিন্তু আগুন লাগলে অতিথিরা কতটা নিরাপদ, সেই প্রশ্নের উত্তর অনেক জায়গাতেই স্পষ্ট নয়।

‘শিখা ইন’-এর ভয়াবহতার পর আশপাশের কয়েকটি হোটেলের পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখলে সেই আশঙ্কাই আরও জোরালো হয়ে ওঠে।

মির্জা গালিব স্ট্রিটের যে ভবনে ‘শিখা ইন’ চলছিল, সেটির আয়তন ছিল প্রায় ১১০০ বর্গফুট। সেই সীমিত জায়গার মধ্যেই তৈরি করা হয়েছিল পাঁচটি ঘর। প্রতিটি ঘরের সঙ্গে ছিল শৌচালয়।

আগুন লাগার পর ফরেন্সিক তদন্তে ওই হোটেলের কাঠামো নিয়ে একাধিক প্রশ্ন সামনে এসেছে। ছোট জায়গার মধ্যে ঘর ভাগ করতে ব্যবহার করা হয়েছিল ফল্‌স সিলিং এবং এমনভাবে দেওয়াল তৈরি করা হয়েছিল, যাতে ঘরগুলির মধ্যে স্বাভাবিক বায়ু চলাচল ও ধোঁয়া বেরোনোর ব্যবস্থা প্রায় ছিল না।

ফলে একটি জায়গায় আগুন লাগার পর ধোঁয়া দ্রুত অন্য ঘরেও পৌঁছে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। জরুরি পরিস্থিতিতে বাইরে বেরিয়ে আসার পথও ছিল অত্যন্ত সীমিত।

এই ঘটনার পর স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠেছে, আশপাশের একই ধরনের ছোট হোটেলগুলির পরিস্থিতি কেমন?

‘শিখা ইন’ থেকে খুব বেশি দূরে নয়, প্রায় দেড়শো মিটার দূরে রয়েছে আরেকটি পাঁচতলা ভবন। সেখানে একাধিক হোটেলের পাশাপাশি রয়েছে স্থায়ী বাসিন্দা এবং অফিসও।

ভবনে ঢোকার মুখেই চোখে পড়ে রেস্তরাঁ। তার পর শুরু হয়েছে হোটেলের অংশ। সিঁড়ির আশপাশে রয়েছে বৈদ্যুতিক তার ও মিটারবক্স। কোথাও কোথাও চলাচলের জায়গাও বেশ সংকীর্ণ।

প্রথম তলায় একাধিক হোটেলের উপস্থিতি চোখে পড়ে। প্রতিটি তলায় কতজন অতিথি থাকেন, তার নির্দিষ্ট হিসাব বাইরে থেকে বোঝার উপায় নেই। কিন্তু এক ভবনের মধ্যে একাধিক আবাসিক হোটেল থাকায় অগ্নিকাণ্ডের মতো জরুরি পরিস্থিতিতে একসঙ্গে বহু মানুষকে বের করে আনার প্রশ্নটি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

আরও পড়ুন :  জোড়া ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে বাংলাজুড়ে ভারী বৃষ্টির সতর্কতা, কলকাতাসহ একাধিক জেলায় দুর্যোগের আশঙ্কা

দোতলায় গিয়ে দেখা যায়, একাধিক হোটেলের সাইনবোর্ড। কোথাও নিজেদের ‘ইন্টারন্যাশনাল’ হোটেল হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে। অতিথিদের জন্য ফ্রি ওয়াই-ফাইয়ের ব্যবস্থাও রয়েছে।

দেওয়ালে ঝুলছে ‘নো স্মোকিং’ লেখা সতর্কবার্তা।

অর্থাৎ অতিথিদের থাকার জন্য প্রয়োজনীয় আধুনিক সুবিধার কিছুটা ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু সরেজমিনে ঘুরে চোখে পড়েনি অগ্নিনির্বাপণের উপযুক্ত সরঞ্জাম।

এখানেই মূল প্রশ্ন। হোটেলের নিরাপত্তা বলতে শুধু সিসিটিভি বা ওয়াই-ফাই যথেষ্ট নয়। আগুন লাগলে দ্রুত সতর্ক করার ব্যবস্থা, ধোঁয়া শনাক্ত করার অ্যালার্ম, পর্যাপ্ত ফায়ার এক্সটিংগুইশার এবং নিরাপদ বেরোনোর বিকল্প পথ থাকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনতলায় উঠতেই দেখা যায় একটি লিফট। কিন্তু সেটি কার্যত ব্যবহারহীন অবস্থায়। লিফটের দরজার সামনে রাখা রয়েছে নানা ধরনের জিনিসপত্র ও বস্তা। সামনে একটি পুরনো বেঞ্চও রয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের সময় লিফট ব্যবহার করা বিপজ্জনক হতে পারে। তাই সিঁড়িই সাধারণত জরুরি বহির্গমনের অন্যতম প্রধান পথ। কিন্তু সিঁড়ি বা প্যাসেজের আশপাশে যদি জিনিসপত্র রাখা থাকে, তা হলে জরুরি মুহূর্তে মানুষের বেরিয়ে আসার গতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে।

এই তলাতেই দেখা যায় অত্যন্ত ছোট একটি রান্নাঘর। সেখানে গ্যাসের চুলা, সিলিন্ডার এবং রান্নার প্রয়োজনীয় কিছু সামগ্রী রয়েছে। জায়গাটি এতটাই ছোট যে সেখানে একসঙ্গে কাজ করাও কঠিন বলে মনে হয়।

আগুন লাগার মতো পরিস্থিতিতে গ্যাস সিলিন্ডার থাকা জায়গা আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। অথচ ওই অংশে অগ্নিনিরাপত্তার কোনও দৃশ্যমান ব্যবস্থা চোখে পড়েনি।

আরও একটি বিষয় নজরে আসে। যেখানে আগে শৌচাগার তৈরির পরিকল্পনা ছিল, সেই জায়গাটিই পরে হোটেলকর্মীদের জিনিস রাখার স্থান হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানা যায়।

সেখানে পানীয় জলের বোতল, হাঁড়িকুড়ি এবং অন্যান্য সামগ্রী রাখা রয়েছে।

অগ্নিকাণ্ডের সময় ভবনের প্রতিটি অংশে চলাচলের পথ পরিষ্কার রাখা কতটা জরুরি, তা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু এই ভবনের বিভিন্ন অংশে জায়গার সর্বোচ্চ ব্যবহার করতে গিয়ে নিরাপত্তার বিষয়টি কতটা গুরুত্ব পেয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

চারতলায় গিয়ে আরও একটি চিত্র সামনে আসে। সেখানে শুধু হোটেল নয়, রয়েছে অফিস এবং স্থায়ী বাসিন্দাদের ঘরও।

আরও পড়ুন :  ৯ বছরের প্রেমের অবসান, জর্জিনাকে বিয়ে করলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো

অর্থাৎ একই ভবনের একাংশে মানুষ বসবাস করছেন, অন্য অংশে হোটেলের অতিথিরা থাকছেন এবং পাশাপাশি অফিসও চলছে।

এমন ভবনে অগ্নিকাণ্ড ঘটলে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে। কারণ রাতের সময়ে হোটেলের অতিথিরা ঘুমিয়ে থাকতে পারেন। অন্যদিকে স্থায়ী বাসিন্দারাও নিজেদের ঘরে থাকতে পারেন। আগুন বা ধোঁয়া দ্রুত ছড়ালে প্রত্যেককে নিরাপদে বের করে আনার জন্য পরিকল্পিত জরুরি ব্যবস্থা প্রয়োজন।

কিন্তু সরেজমিনে ঘুরে তেমন কোনও কেন্দ্রীয় অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা চোখে পড়েনি।

পাঁচতলায় থাকা হোটেলটি তুলনামূলকভাবে গোছানো বলে মনে হয়েছে। তবে শুধু পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন বা সুন্দর সাজসজ্জা দিয়ে অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না।

একটি হোটেল নিরাপদ কি না, তা বোঝার জন্য দেখতে হয় জরুরি বহির্গমন পথ, অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র, ফায়ার অ্যালার্ম, ধোঁয়া শনাক্ত করার ব্যবস্থা, বৈদ্যুতিক সংযোগের নিরাপত্তা এবং অতিথিদের জরুরি পরিস্থিতিতে বের করে আনার পরিকল্পনা।

এই জায়গাগুলির কোনওটির বিষয়ে নিশ্চিত তথ্য না থাকলে শুধু ঘরের সাজসজ্জা দেখে নিরাপত্তার সার্টিফিকেট দেওয়া যায় না।

সবচেয়ে উদ্বেগজনক তথ্যটি পাওয়া যায় ভবনের এক কর্মীর কাছ থেকে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, পাঁচতলা ভবনটিতে মোট চারটি হোটেল চলছে এবং সব মিলিয়ে প্রায় ৪০টি ঘর রয়েছে।

অর্থাৎ একই ভবনে একসঙ্গে বহু অতিথি থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।

আগুন লাগলে তাঁদের সবাইকে দ্রুত বের করে আনার জন্য পর্যাপ্ত জরুরি ব্যবস্থা আছে কি না, সেই প্রশ্নের জবাবে কর্মীর দাবি, ফায়ার সিলিন্ডার রয়েছে।

কতগুলি?

উত্তরে তিনি আনুমানিক ১০টির কথা জানান।

কিন্তু পাঁচতলা ভবনে প্রায় ৪০টি ঘর এবং একাধিক হোটেল থাকলে এই সংখ্যাটি যথেষ্ট কি না, তা অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের যাচাই করার বিষয়।

আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ওঠে ফায়ার অ্যালার্ম নিয়ে। কোনও কেন্দ্রীয় অ্যালার্ম ব্যবস্থা আছে কি না, জানতে চাওয়া হলে স্পষ্ট উত্তর পাওয়া যায়নি।

অগ্নিনিরাপত্তার ক্ষেত্রে একটি সাধারণ ভুল ধারণা হল, কয়েকটি ফায়ার এক্সটিংগুইশার থাকলেই ভবন নিরাপদ।

বাস্তবে বিষয়টি অনেক বড়।

একটি হোটেলে আগুন লাগলে প্রথম কয়েক মিনিটই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। আগুন কোথায় লেগেছে তা দ্রুত জানতে হবে। অতিথিদের সতর্ক করার জন্য অ্যালার্ম বাজতে হবে। ধোঁয়া দ্রুত শনাক্ত করতে হবে। বিদ্যুৎ সংযোগ নিরাপদভাবে বিচ্ছিন্ন করার ব্যবস্থা থাকতে হবে। জরুরি বহির্গমন পথ খোলা ও বাধামুক্ত রাখতে হবে।

আরও পড়ুন :  মেসির ম্যুরাল, মারাদোনার মূর্তি আর বিশ্বকাপ স্বপ্নে বেঁচে থাকা এক ভক্তের অবিশ্বাস্য গল্প

একই সঙ্গে কর্মীদের জানতে হবে কীভাবে অতিথিদের বের করে আনতে হবে।

শুধু দেওয়ালে কয়েকটি ফায়ার সিলিন্ডার ঝুলিয়ে রাখলে এই পুরো ব্যবস্থার বিকল্প হয় না।

নিউ মার্কেটের অগ্নিকাণ্ডে ন’জনের মৃত্যু আবারও কলকাতার পুরনো প্রশ্ন সামনে এনেছে—বড় দুর্ঘটনার পর প্রশাসন নড়েচড়ে বসে, কিন্তু কিছুদিন পর পরিস্থিতি কি আবার আগের জায়গায় ফিরে যায়?

প্রতিটি বড় অগ্নিকাণ্ডের পর তদন্ত হয়। নিয়ম মানার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিভিন্ন ভবনে অগ্নিনিরাপত্তা পরিদর্শনের কথা বলা হয়। কিন্তু কয়েক মাস বা বছর পর আবার কোনও একটি ঘটনা দেখিয়ে দেয়, বাস্তবে কতটা পরিবর্তন হয়েছে।

নিউ মার্কেটের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখানে একদিকে রয়েছে পুরনো ভবন, অন্যদিকে অল্প জায়গায় গড়ে ওঠা হোটেল ও গেস্ট হাউস। একই ভবনে আবার হোটেল, অফিস, দোকান এবং পরিবার নিয়ে বসবাসের ব্যবস্থাও দেখা যায়।

এমন পরিবেশে অগ্নিকাণ্ড ঘটলে আগুনের পাশাপাশি ধোঁয়াই সবচেয়ে বড় আতঙ্ক হয়ে উঠতে পারে।

‘শিখা ইন’-এর ঘটনায় যেমন দেখা গিয়েছে, আগুনের উৎস হয়তো একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ছিল, কিন্তু ধোঁয়া দ্রুত ঘরের ভিতরে ঢুকে পড়েছিল। বাইরে বেরোনোর পথ সীমিত থাকায় আটকে পড়েছিলেন আবাসিকেরা।

তাই প্রশ্ন এখন শুধু ‘শিখা ইন’-এর ক্ষেত্রে কী হয়েছিল, তা নয়। প্রশ্ন হল, নিউ মার্কেট এলাকার আরও কতগুলি হোটেল একই ঝুঁকি নিয়ে চলছে?

‘শিখা ইন’ অগ্নিকাণ্ডের পরে যদি শুধু ওই একটি হোটেলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়, তাহলে সমস্যার পুরো সমাধান হবে না। প্রয়োজন গোটা এলাকার হোটেল, গেস্ট হাউস এবং বহুতল ভবনের অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা নতুন করে পরীক্ষা করা।

বিশেষ করে যেসব ভবনে একাধিক হোটেল রয়েছে, সেখানে প্রতিটি তলায় কতগুলি ঘর, কতজন অতিথি থাকতে পারেন, জরুরি বহির্গমন কতগুলি, সিঁড়ি কতটা নিরাপদ এবং অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কী ধরনের এসব খতিয়ে দেখা জরুরি।

কারণ আগুন কখনও বলে আসে না।

আর একটি অগ্নিকাণ্ডের পরে যেন আবার একই প্রশ্ন না ওঠে প্রশাসন আগে থেকে জানত না কেন?

নিউ মার্কেটের এই হোটেলপাড়ায় এখন সবচেয়ে বড় প্রয়োজন নিয়মিত নজরদারি এবং বাস্তবসম্মত অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থা। নইলে সস্তা বা দামি—হোটেলের ঘর যতই আকর্ষণীয় হোক, নিরাপত্তার অভাবে সেটিই মুহূর্তে পরিণত হতে পারে আরেকটি ‘মরণফাঁদে’।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

আর্কাইভ