খবর পান সবার আগে

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। আমাদের নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন এবং দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদগুলো প্রতিদিন আপনার ইমেইলে পান।

― Advertisement ―

spot_imgspot_img

বিশ্বকাপ ফাইনালে আর্জেন্টিনা নাকি স্পেন? বিশেষজ্ঞদের ভবিষ্যদ্বাণী, মেসি বনাম ইয়ামাল!

ফুটবল বিশ্বের সবচেয়ে প্রতীক্ষিত ম্যাচের মঞ্চ প্রস্তুত। একদিকে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, অন্যদিকে বর্তমান ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়ন স্পেন। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া বিশ্বকাপ ফাইনাল...
Homeস্পোটস ওয়ার্ল্ডফিফা বিশ্বকাপ স্পেশালবিশ্বকাপে সোনার বুটের দৌড়ে মেসি-এমবাপে সমানে সমান! রোনাল্ডো কি ফিরবেন লড়াইয়ে?

বিশ্বকাপে সোনার বুটের দৌড়ে মেসি-এমবাপে সমানে সমান! রোনাল্ডো কি ফিরবেন লড়াইয়ে?

বিশেষ করে হালান্ডকে বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম ভয়ংকর স্ট্রাইকার হিসেবে ধরা হয়। বক্সের মধ্যে তাঁর উপস্থিতি প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি। অন্যদিকে কেন ধারাবাহিকতা ও অভিজ্ঞতায় নিজেকে বারবার প্রমাণ করেছেন।

ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই উত্তেজনা, আবেগ এবং তারকাদের মহারণ। তবে ট্রফি জয়ের লড়াইয়ের পাশাপাশি ফুটবলপ্রেমীদের অন্যতম বড় আগ্রহ থাকে ব্যক্তিগত পুরস্কার ঘিরে। বিশেষ করে সোনার বুটের লড়াই নিয়ে সমর্থকদের কৌতূহল সবসময় তুঙ্গে থাকে। কোন তারকা সর্বোচ্চ গোলদাতা হয়ে নিজের নাম ইতিহাসের পাতায় তুলবেন, সেটাই এখন বড় আলোচনার বিষয়।

বর্তমান বিশ্বকাপে সোনার বুটের প্রতিযোগিতা বেশ জমে উঠেছে। একদিকে অভিজ্ঞতার প্রতীক লিওনেল মেসি, অন্যদিকে গতির ঝড় তোলা কিলিয়ান এমবাপে। দুই ফুটবল তারকার দুর্দান্ত পারফরম্যান্স এই লড়াইকে নতুন মাত্রা দিয়েছে।

বিশ্বকাপের নকআউট পর্ব শুরু হওয়ার পর প্রতিটি ম্যাচ এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। শুধু দলকে এগিয়ে নেওয়া নয়, ব্যক্তিগত অর্জনের ক্ষেত্রেও প্রতিটি গোলের মূল্য অনেক বেশি।

এখন পর্যন্ত সোনার বুটের তালিকায় সমান অবস্থানে রয়েছেন মেসি ও এমবাপে। দুই তারকাই সাতটি করে গোল করেছেন। তবে তাদের পারফরম্যান্সে একটি আকর্ষণীয় পার্থক্য রয়েছে। মেসি চারটি ম্যাচ খেলেই সাত গোল করেছেন, যেখানে এমবাপে একই সংখ্যক গোল করতে খেলেছেন পাঁচটি ম্যাচ।

আরও পড়ুন :  আর্জেন্টিনা বনাম সুইজারল্যান্ড: মেসির কর্নারে অ্যালিস্টারের হেডে দ্রুত গোল, দাপুটে সূচনা বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের

এই পরিসংখ্যান দেখলে বোঝা যায়, মেসির গোল করার ধার কিছুটা বেশি কার্যকর হয়েছে। তবে এমবাপের গতি, আক্রমণভাগে উপস্থিতি এবং সুযোগ তৈরি করার ক্ষমতা তাঁকে সমানভাবে ভয়ংকর করে তুলেছে।

মেসি ও এমবাপে এগিয়ে থাকলেও তাদের পেছনে থাকা প্রতিদ্বন্দ্বীরা খুব বেশি দূরে নেই। ইংল্যান্ডের হ্যারি কেন এবং নরওয়ের আর্লিং হালান্ড পাঁচটি করে গোল করেছেন।

এই দুই ফুটবলারের বিশেষত্ব হলো, তারা ম্যাচের যেকোনো মুহূর্তে ফল বদলে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। একটি ভালো ম্যাচ কিংবা কয়েকটি গোল পুরো সমীকরণ বদলে দিতে পারে।

বিশেষ করে হালান্ডকে বর্তমানে বিশ্বের অন্যতম ভয়ংকর স্ট্রাইকার হিসেবে ধরা হয়। বক্সের মধ্যে তাঁর উপস্থিতি প্রতিপক্ষের জন্য বড় হুমকি। অন্যদিকে কেন ধারাবাহিকতা ও অভিজ্ঞতায় নিজেকে বারবার প্রমাণ করেছেন।

আরও পড়ুন :  ভারত কেন বাংলাদেশে ‘পুশইন’ করছে? সীমান্তে যা ঘটছে তার পুরো বিশ্লেষণ!

শুধু শীর্ষ তারকারাই নয়, সোনার বুটের প্রতিযোগিতায় আরও কয়েকজন ফুটবলার নজর কেড়েছেন। এখন পর্যন্ত চারটি করে গোল করেছেন কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়।

তাদের মধ্যে রয়েছেন উসমান দেম্বেলে, ভিনিসিয়াস জুনিয়র, মিকেল ওয়ারজাবাল এবং ইসমাইলা সার।

তবে এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় রয়েছে। সেনেগাল প্রতিযোগিতা থেকে বিদায় নেওয়ায় ইসমাইলা সারের সামনে আর গোল বাড়ানোর সুযোগ নেই। অন্যদিকে বাকি ফুটবলাররা এখনও টুর্নামেন্টে টিকে থাকায় তাদের সামনে সুযোগ রয়েছে আরও এগিয়ে যাওয়ার।

বিশ্বকাপের মতো বড় আসরে কখন কোন খেলোয়াড় হঠাৎ দুর্দান্ত ফর্মে উঠে আসবেন, তা আগে থেকে বলা কঠিন। ফলে সোনার বুটের দৌড়ে চমক এখনও দেখা যেতে পারে।

বিশ্ব ফুটবলের অন্যতম সেরা নাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডো এই মুহূর্তে সোনার বুটের দৌড়ে কিছুটা পিছিয়ে রয়েছেন। চার ম্যাচে তিন গোল করে তিনি তালিকায় নবম স্থানে অবস্থান করছেন।

যদিও তাঁর অবস্থান খুব একটা সুবিধাজনক নয়, তারপরও রোনাল্ডোকে পুরোপুরি বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই। কারণ বড় ম্যাচে নিজের সেরাটা তুলে ধরার অসাধারণ ক্ষমতা তাঁর রয়েছে।

আরও পড়ুন :  ৪৬ বছর বয়সে ফুটবলে ফিরলেন রোনালদিনহো

রোনাল্ডো অতীতেও বহুবার অসম্ভবকে সম্ভব করেছেন। তাই সামনে যদি তিনি একটি বা দুটি দুর্দান্ত ম্যাচ খেলতে পারেন, তাহলে আবারও সোনার বুটের আলোচনায় উঠে আসা অসম্ভব নয়।

বিশ্বকাপের প্রতিটি ম্যাচের সঙ্গে সোনার বুটের সমীকরণও বদলে যাচ্ছে। আজ যিনি এগিয়ে, আগামী ম্যাচেই তিনি পিছিয়ে পড়তে পারেন। আর এটাই ফুটবলের সবচেয়ে বড় সৌন্দর্য।

মেসি, এমবাপে, কেন, হালান্ড কিংবা রোনাল্ডো— প্রত্যেকের সামনেই সুযোগ রয়েছে নিজেদের সেরা প্রমাণ করার। শেষ পর্যন্ত কে সোনার বুট হাতে তুলবেন, সেটি জানতে ফুটবলপ্রেমীদের অপেক্ষা করতে হবে টুর্নামেন্টের শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত।

একটি বিষয় নিশ্চিত, সামনে আরও রোমাঞ্চ, আরও গোল এবং আরও উত্তেজনা অপেক্ষা করছে।