খবর পান সবার আগে

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। আমাদের নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন এবং দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদগুলো প্রতিদিন আপনার ইমেইলে পান।

― Advertisement ―

spot_imgspot_img

বিদ্যুত চুক্তি বাতিল হচ্ছেনা,দাম কমাতে চলছে আলোচনা: জ্বালানিমন্ত্রী

বিগত সরকারের সময় বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি এখনই বাতিল করার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে সরকার। কারণ এসব চুক্তির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে...
Homeবিশ্ব সংবাদতালেবান শাসন: শরিয়া আইন আফগানিস্তানে নারীদের কতটা বদলেছে

তালেবান শাসন: শরিয়া আইন আফগানিস্তানে নারীদের কতটা বদলেছে

তালেবান শাসনে আফগান নারীদের জন্য কাজের সুযোগ ব্যাপকভাবে সীমিত হয়েছে। তবে কিছু ছোট উদ্যোগ এখনো নারীদের নিজেদের দক্ষতা কাজে লাগানোর সুযোগ করে দিচ্ছে।

২০২১ সালের ১৫ আগস্ট তালেবান যোদ্ধারা কাবুলে প্রবেশের পর আফগানিস্তানের রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতা আমূল বদলে যায়। ক্ষমতা দখলের পর থেকে দেশটির শাসনব্যবস্থা, অর্থনীতি, নারী অধিকার, শিক্ষা এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ক সব ক্ষেত্রেই বড় ধরনের পরিবর্তন দেখা গেছে। বিশেষ করে নারীদের জনজীবন থেকে দূরে রাখার নীতিই তালেবান সরকারের সবচেয়ে বেশি আলোচিত সিদ্ধান্তগুলোর একটি।

তালেবান শাসনের পাঁচ বছর পূর্তিতে আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় কীভাবে তালেবানের সঙ্গে সম্পর্ক রাখবে, কতটা চাপ প্রয়োগ করবে এবং একই সঙ্গে আফগান জনগণের জন্য মানবিক সহায়তা নিশ্চিত করবে এসব প্রশ্ন এখনো জটিল হয়ে আছে।

তালেবান শাসনে আফগান নারীদের জন্য কাজের সুযোগ ব্যাপকভাবে সীমিত হয়েছে। তবে কিছু ছোট উদ্যোগ এখনো নারীদের নিজেদের দক্ষতা কাজে লাগানোর সুযোগ করে দিচ্ছে।

কাবুলের দক্ষিণের একটি গ্রামের একটি ছোট কর্মশালায় প্রায় ১২ জন নারী চেরি ও আলুবোখারার রস দিয়ে জ্যাম তৈরি করেন। ৪৭ বছর বয়সী নাজিয়া এই উদ্যোগ পরিচালনা করছেন। তিনি নয় সন্তানের মা এবং মাত্র ১৪ বছর বয়সে তার বিয়ে হয়েছিল। বর্তমানে তার মেয়েও সেখানে কাজ করেন এবং অন্য তরুণীদের জ্যাম তৈরির প্রশিক্ষণ দেন।

কিন্তু এমন উদ্যোগের সুযোগও ক্রমে সংকুচিত হচ্ছে। নতুন নিয়ম অনুযায়ী, নারীদের তৈরি পণ্য বাজারে নেওয়ার ক্ষেত্রে পুরুষদের সহায়তা নিতে হচ্ছে। বাণিজ্য মেলায় নারীরা নিজেরা স্টলে বসে পণ্য প্রদর্শন করতে পারছেন না; সেখানে পুরুষদের উপস্থিত থাকতে হচ্ছে।

তালেবান শাসনের সবচেয়ে বিতর্কিত বিষয়গুলোর একটি হলো মেয়েদের শিক্ষা। ১২ বছরের বেশি বয়সী মেয়েদের স্কুলে যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীদের পড়াশোনার সুযোগও বন্ধ রয়েছে।

এর ফলে আফগানিস্তানের একটি প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। যেসব তরুণী শিক্ষা গ্রহণ করে চিকিৎসক, শিক্ষক, প্রকৌশলী বা উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলেন, তাদের অনেকেই এখন ঘরবন্দি জীবনে বাধ্য হচ্ছেন।

নাজিয়ার কর্মশালায় কাজ করা তরুণীদের ক্ষেত্রেও একই বাস্তবতা দেখা যায়। তাদের অনেকে হয়তো স্কুল বা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করতে পারতেন। কিন্তু শিক্ষার সুযোগ বন্ধ থাকায় তারা বিকল্প হিসেবে কর্মশালায় কাজ করছেন।

তালেবান শাসনের পাশাপাশি আফগানিস্তান দীর্ঘদিন ধরে অর্থনৈতিক ও মানবিক সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, প্রায় দুই কোটি ২০ লাখ আফগান কোনো না কোনোভাবে বৈদেশিক সহায়তার ওপর নির্ভরশীল। অর্থাৎ দেশটির মোট জনসংখ্যার প্রায় অর্ধেক মানুষের বেঁচে থাকার সঙ্গে আন্তর্জাতিক সহায়তা জড়িয়ে আছে।

অর্থনৈতিক দুরবস্থার পাশাপাশি দেশটি প্রাকৃতিক দুর্যোগেরও মুখোমুখি হয়েছে। প্রতিবেশী পাকিস্তানের সঙ্গে সংঘাত এবং বিভিন্ন দেশ থেকে ফিরে আসা বিপুলসংখ্যক আফগান নাগরিক পরিস্থিতিকে আরও কঠিন করে তুলেছে।

এ কারণে আফগানিস্তানকে পুরোপুরি আন্তর্জাতিক বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করে রাখার পক্ষে খুব বেশি সমর্থন নেই। কারণ এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা সাধারণ মানুষের।

২০২১ সালে ক্ষমতা দখলের পর তালেবান আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে জাতিসংঘে আফগানিস্তানের আসন এখনো তাদের হাতে যায়নি। অন্যদিকে বিভিন্ন দেশ তালেবানের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ ও বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা বাড়িয়েছে।

রাশিয়া তালেবান সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি দেওয়া একমাত্র দেশ হিসেবে উঠে এসেছে। একই সময়ে চীন, রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও উজবেকিস্তানের সঙ্গে খনি, জ্বালানি এবং অন্যান্য খাতে তালেবান প্রশাসনের চুক্তি হয়েছে।

এ ছাড়া বিশ্বের বিভিন্ন দেশে থাকা আফগান দূতাবাসের একটি বড় অংশও এখন তালেবানের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। প্রতিবেদনে ৪০টির বেশি আফগান দূতাবাস তালেবানের নিয়ন্ত্রণে থাকার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

তালেবানের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সম্পর্ক নিয়ে বড় প্রশ্ন হলো শুধু চাপ প্রয়োগ করে কি পরিবর্তন আনা সম্ভব?

পশ্চিমা দেশগুলো সাধারণত মানবাধিকার ও নারীর অধিকারকে গুরুত্ব দেয়। অন্যদিকে কিছু দেশ আফগানিস্তানে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। ফলে তালেবানের সঙ্গে সম্পর্কের ক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক দেশগুলোর মধ্যে অভিন্ন নীতি তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

জাতিসংঘের কর্মকর্তারা মনে করেন, তালেবানের সঙ্গে যোগাযোগ বন্ধ করে দেওয়ার পরিবর্তে নিয়মিত আলোচনার মাধ্যমে ধীরে ধীরে পরিবর্তনের সুযোগ তৈরি করা দরকার। তাদের মতে, অল্প অল্প করে হলেও আলোচনার মাধ্যমে কিছু ক্ষেত্রে অগ্রগতি সম্ভব হয়েছে।

আফগানিস্তান নিয়ে আন্তর্জাতিক আলোচনাকে আরও সংগঠিত করতে নতুন একটি প্রক্রিয়া চালু করা হয়েছে, যার নাম ‘মোজাইক’। এই প্রক্রিয়ায় মানবাধিকার, নারীর অধিকার, অন্তর্ভুক্তিমূলক শাসন এবং সন্ত্রাসবাদবিরোধী কার্যক্রমসহ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়কে আলোচনার কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে তালেবান নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার, আটকে থাকা অর্থ ও তহবিল ছাড় এবং কূটনৈতিক প্রতিনিধিত্বের মতো বিষয়কে গুরুত্ব দিচ্ছে।

জাতিসংঘের কর্মকর্তারা মনে করছেন, পারস্পরিক আস্থা তৈরির মাধ্যমে কঠিন বিষয়গুলো নিয়েও আলোচনা করার পথ তৈরি হতে পারে। তবে তারা এটাও স্বীকার করছেন যে পুরো প্রক্রিয়াটি দীর্ঘ এবং অত্যন্ত জটিল।

তালেবানের বিভিন্ন বিধিনিষেধের কারণে আন্তর্জাতিক ও আফগান সহায়তা সংস্থাগুলোকে নতুন পদ্ধতি খুঁজে নিতে হচ্ছে। বিশেষ করে নারীদের কাজের সুযোগ নিশ্চিত করতে অনেক জায়গায় বিকল্প ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

কোনো কোনো এলাকায় নারীরা ঘরে বসে কাজ করছেন। আবার কোথাও নারী কর্মীদের পুরুষ সহকর্মীদের থেকে আলাদা কক্ষ, তলা বা ভবনে কাজ করার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আফগানিস্তানে দীর্ঘদিন কাজ করা সহায়তা সংস্থাগুলোর কর্মকর্তারা বলছেন, স্থানীয় পর্যায়ে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও পারস্পরিক বোঝাপড়া অনেক ক্ষেত্রে কাজ সহজ করে দেয়। স্থানীয় তালেবান কর্মকর্তাদের মধ্যেও কেউ কেউ বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করে সমাধানের পথ খোঁজেন। তবে এসব সমঝোতা অনেক সময় ভঙ্গুর এবং স্থায়ী নয়।

আফগান নারী অধিকারকর্মী ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর একটি অংশ মনে করে, তালেবানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া যেতে পারে। তবে সেই আলোচনায় সুনির্দিষ্ট শর্ত থাকা প্রয়োজন।

তাদের অভিযোগ, এতদিনের আলোচনায় তালেবান বড় ধরনের দৃশ্যমান পরিবর্তন আনেনি। তাই নারী অধিকার ও মানবিক সহায়তার মতো বিষয়গুলোকে আলোচনার কেন্দ্রে রাখা এবং বাস্তব পরিবর্তন না আসা পর্যন্ত সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকার দাবি উঠেছে।

২০২৪ সালে কাতারের রাজধানী দোহায় তালেবানের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনাও হয়েছিল। তবে সেখানে আফগান নারীদের কোনো প্রতিনিধি না রাখার শর্ত নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়। পরবর্তী আলোচনায় নারীদের অংশগ্রহণের বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত করার কথা জানায় জাতিসংঘ।

তালেবানের সঙ্গে ইউরোপীয় ইউনিয়নের যোগাযোগ নিয়েও বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ব্রাসেলসে তালেবানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে ইউরোপীয় কর্মকর্তাদের বৈঠক হয়। ইউরোপীয় ইউনিয়ন এটিকে প্রযুক্তিগত বা ‘টেকনিক্যাল’ আলোচনা হিসেবে ব্যাখ্যা করলেও তালেবান এটিকে বৃহত্তর কূটনৈতিক যোগাযোগের অংশ হিসেবে দেখেছে।

বৈঠকে ইউরোপে থাকা আফগান নাগরিকদের ফেরত পাঠানোর বিষয়সহ বিভিন্ন প্রশাসনিক বিষয় আলোচিত হয়। তবে সমালোচকদের মতে, এ ধরনের যোগাযোগ তালেবান সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার দিকে ধীরগতির পদক্ষেপ হতে পারে।

আফগান নারী অধিকারকর্মী মেহবুবা সিরাজের অভিজ্ঞতা দেশটির বর্তমান বাস্তবতার একটি গুরুত্বপূর্ণ চিত্র তুলে ধরে। তালেবান ক্ষমতায় ফেরার পর তিনি দেশে থেকে নারীদের অধিকারের জন্য কাজ চালিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু সময়ের সঙ্গে পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়েছে।

তার পরিচালিত একটি আশ্রয়কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যায়। সেখানে পারিবারিক সহিংসতা থেকে পালিয়ে আসা ৩০ জনের বেশি নারী নিরাপদ আশ্রয় পেয়েছিলেন। মেয়েদের জন্য শিক্ষার সুযোগ পুনরায় চালুর আবেদনও তালেবান নেতৃত্বের কাছ থেকে প্রত্যাশিত সাড়া পায়নি।

তবুও তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সঙ্গে সংলাপ বন্ধ করার পক্ষে নন। তার মতে, আলোচনা হতে হবে বাস্তব পরিবর্তনের লক্ষ্য নিয়ে; শুধু আনুষ্ঠানিক বৈঠক আয়োজনের মধ্যে তা সীমাবদ্ধ থাকলে কোনো সুফল আসবে না।

তালেবান শাসনের পাঁচ বছর পর একটি বিষয় ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে আন্তর্জাতিক চাপ একাই হয়তো কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে পারবে না।

তালেবানের কিছু কর্মকর্তা বিভিন্ন সময়ে সর্বোচ্চ নেতৃত্বের কিছু সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। মেয়েদের স্কুল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েও ভেতরে ভেতরে মতবিরোধের কথা উঠে এসেছে। কিছু ক্ষেত্রে কঠোর সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করানোর ঘটনাও ঘটেছে। তবে মেয়েদের শিক্ষার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে তালেবানের অবস্থান এখনো কঠোর।

ফলে আফগানিস্তানের ভবিষ্যৎ নিয়ে সহজ কোনো সমাধান সামনে নেই। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের জন্য একদিকে তালেবানের ওপর চাপ বজায় রাখা জরুরি, অন্যদিকে সাধারণ আফগান মানুষের মানবিক সহায়তা বন্ধ না করাও গুরুত্বপূর্ণ।

তালেবান শাসনের পাঁচ বছর আফগানিস্তানের জন্য বড় পরিবর্তনের সময়। নারীদের শিক্ষা ও কর্মসংস্থানের ওপর বিধিনিষেধ, অর্থনৈতিক সংকট, মানবিক সহায়তার ওপর নির্ভরতা এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির প্রশ্ন সবকিছু মিলিয়ে দেশটি এখনো কঠিন বাস্তবতার মধ্যে রয়েছে।

তারপরও নাজিয়ার মতো উদ্যোক্তারা নিজেদের সামর্থ্য দিয়ে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন। তার কর্মশালায় সাজানো প্রশিক্ষণ ও কাজের বিভিন্ন সার্টিফিকেট যেন সেই সংগ্রামেরই প্রমাণ। নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও তারা ভবিষ্যতের জন্য লড়াই করছেন।

আফগানিস্তানের অনেক মানুষ এখনো একটি স্বাভাবিক ও নিরাপদ ভবিষ্যতের আশায় আছেন। তাদের সেই আশা টিকিয়ে রাখতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দায়িত্ব শুধু কূটনৈতিক আলোচনা চালানো নয়; একই সঙ্গে মানবিক সহায়তা, নারী অধিকার এবং শিক্ষার সুযোগের বিষয়েও কার্যকর ভূমিকা রাখা।

পাঁচ বছর পরও প্রশ্নটি তাই একই রয়ে গেছে তালেবানের সঙ্গে কীভাবে এমন সম্পর্ক তৈরি করা যায়, যা একদিকে আফগান জনগণকে বিশ্ব থেকে বিচ্ছিন্ন করবে না এবং অন্যদিকে মানবাধিকার ও নারীর অধিকার রক্ষায় বাস্তব পরিবর্তনের পথ তৈরি করবে? এই প্রশ্নের উত্তর এখনো খুঁজছে আফগানিস্তান এবং পুরো বিশ্ব।

তথ্য সূত্র: বিবিসি বাংলা


Discover more from News Bangla24x7

Subscribe to get the latest posts sent to your email.

Table of contents [hide]

আর্কাইভ