খবর পান সবার আগে

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। আমাদের নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন এবং দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদগুলো প্রতিদিন আপনার ইমেইলে পান।

― Advertisement ―

spot_imgspot_img

বিদ্যুত চুক্তি বাতিল হচ্ছেনা,দাম কমাতে চলছে আলোচনা: জ্বালানিমন্ত্রী

বিগত সরকারের সময় বেসরকারি বিদ্যুৎ উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে সম্পাদিত চুক্তি এখনই বাতিল করার সুযোগ নেই বলে জানিয়েছে সরকার। কারণ এসব চুক্তির সঙ্গে যুক্ত রয়েছে...
Homeজাতীয়শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে সরকারের অনুরোধ

শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচার না করতে সরকারের অনুরোধ

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন

বাংলাদেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি বজায় রাখা এবং আদালতের নির্দেশনা কার্যকরভাবে প্রতিপালনের স্বার্থে ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্য, বিবৃতি, সাক্ষাৎকার কিংবা অডিও-ভিডিও বার্তা প্রচার বা প্রকাশ থেকে বিরত থাকার জন্য দেশের গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছে সরকার।

শুক্রবার (১০ জুলাই) রাতে প্রকাশিত এক সরকারি তথ্য বিবরণীতে এ আহ্বান জানানো হয়। এতে বলা হয়েছে, প্রচলিত আইন এবং আদালতের নির্দেশনা অনুসরণ করা প্রত্যেক ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব। সেই বিবেচনায় শেখ হাসিনার যেকোনো ধরনের বক্তব্য প্রচারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বনের আহ্বান জানানো হয়েছে।

সরকারি তথ্য অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল (আইসিটি) ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর শেখ হাসিনার বক্তব্য প্রচারের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। সরকারের ভাষ্য অনুযায়ী, আদালতের এই নির্দেশনা এখনো কার্যকর রয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের তা মেনে চলা উচিত।

আরও পড়ুন :  জামায়াতের ‘ক্ষমা প্রার্থনা’ বিতর্কে নতুন মোড়: কী বলছেন রাজনীতিকরা?

তথ্য বিবরণীতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী আদালতের সাজাপ্রাপ্ত এবং পলাতক কোনো ব্যক্তির বক্তব্য, সাক্ষাৎকার, অডিও বা ভিডিও বার্তা গণমাধ্যমে প্রচার কিংবা প্রকাশের ক্ষেত্রে আইনগত সীমাবদ্ধতা রয়েছে। ফলে এ ধরনের বিষয়বস্তু প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট আইন ও আদালতের নির্দেশনা বিবেচনা করা আবশ্যক।

সরকার টেলিভিশন, বেতার, সংবাদপত্র, অনলাইন সংবাদমাধ্যম এবং বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্ল্যাটফর্মে শেখ হাসিনার কোনো বক্তব্য সরাসরি কিংবা রেকর্ডকৃত অবস্থায় প্রচার বা প্রকাশ না করার জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানিয়েছে।

তথ্য বিবরণীতে বলা হয়েছে, আদালতের নির্দেশনার প্রতি সম্মান প্রদর্শন এবং দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের পদক্ষেপ গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠান, অনলাইন সংবাদপোর্টাল, কনটেন্ট নির্মাতা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীদেরও দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন :  জনগণের টাকায় জনগণের উন্নয়ন: শ্রীমঙ্গলে প্রধানমন্ত্রীর বড় ঘোষণা

সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা বজায় রাখতে আদালতের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন। এ কারণে সংশ্লিষ্ট সব ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বিদ্যমান আইন মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।

সরকার মনে করে, আদালতের নির্দেশনা উপেক্ষা করে কোনো নিষিদ্ধ বক্তব্য প্রচার করলে আইনগত জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই সংবাদ প্রকাশ ও সম্প্রচারের ক্ষেত্রে আইনগত দিকগুলো সতর্কতার সঙ্গে বিবেচনা করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে।

তথ্য বিবরণীতে সরকার আশা প্রকাশ করেছে যে দেশের সব গণমাধ্যম, সংশ্লিষ্ট অংশীজন এবং সাধারণ নাগরিক প্রচলিত আইন ও আদালতের নির্দেশনার প্রতি যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করবেন। পাশাপাশি আইন বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে সহযোগিতা করারও আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন :  “একই আকাশ, একই বাতাস” : বাংলাদেশে এসেই কী বললেন ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী?

সরকারের মতে, দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা এবং সচেতন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহার দেশের স্থিতিশীলতা ও আইনের শাসন বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাই সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে তথ্যের সত্যতা যাচাইয়ের পাশাপাশি আইনগত বাধ্যবাধকতাও সমানভাবে গুরুত্ব পাওয়া উচিত।

সূত্র: বাংলা ট্রিবিউন

আর্কাইভ