খবর পান সবার আগে

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। আমাদের নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন এবং দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদগুলো প্রতিদিন আপনার ইমেইলে পান।

― Advertisement ―

spot_imgspot_img
Homeবর্ডার নিউজভারতীয় নারী রেশমাকে অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে পুলিশে সোপর্দ

ভারতীয় নারী রেশমাকে অবৈধ অনুপ্রবেশ আইনে পুলিশে সোপর্দ

রেশমা ভারতীয় নাগরিক হলেও তাকে বাংলাদেশী নাগরিক ভেবে ভারতীয় বিএসএফ চট্রগ্রাম সিমান্ত পথে বাংলাদেশে পুশইন করছে।

অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে রেশমা নামের এক ভারতীয় নারী এবং তার শিশু সন্তানকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। ওই নারীর দাবি, তিনি ভারতেরই নাগরিক এবং তাকে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পুশ-ইন করা হয়েছে। রেশমা ভারতীয় নাগরিক হলেও তাকে বাংলাদেশী নাগরিক ভেবে ভারতীয় বিএসএফ চট্রগ্রাম সিমান্ত পথে বাংলাদেশে পুশইন করছে।

শনিবার ভোরের দিকে বেনাপোল সীমান্তে এই ঘটনা ঘটে। বেনাপোল পোর্ট থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশরাফ হোসেন জানিয়েছেন, বিজিবির হাতে আটক ওই নারী ও তার শিশু সন্তান বর্তমানে পুলিশ হেফাজতে রয়েছে। শনিবার দুপুরেই তাদের যশোর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

আটক রেশমা খাতুনের দাবি, তিনি ভারতের বাসিন্দা এবং তার স্বামী ও তিন সন্তান ভারতেই অবস্থান করছেন। মুম্বাইয়ের একটি কারখানায় কাজ করার সময় ভারতীয় পুলিশ তাকেসহ আরও কয়েকজনকে আটক করে। সেসময় তিনি বারবার নিজেকে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে পরিচয় দিলেও পুলিশ তা আমলে নেয়নি। রেশমার অভিযোগ, পরবর্তীতে তাকে বিমানে করে কলকাতায় নেওয়া হয় এবং সেখান থেকে গভীর রাতে চট্টগ্রাম সীমান্ত দিয়ে জোরপূর্বক বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন :  'পুশইন-পুশব্যাক' ইস্যুতে ভারত বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়ন চেষ্টা কী ক্ষতির মুখে?

বাংলাদেশে তার কোনো আত্মীয়-স্বজন না থাকায় চরম বিপাকে পড়েন এই নারী। পরে স্থানীয় কিছু মানুষের সহায়তায় বাসে চড়ে তিনি বেনাপোলে এসে পৌঁছান।

উল্লেখ্য, ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফ কর্তৃক বাংলাদেশে এই পুশ-ইন প্রক্রিয়া নিয়ে আবারও নতুন করে বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, দীর্ঘদিন ধরে ভারতে বসবাসরত বাংলাদেশি নাগরিকদের পাশাপাশি অনেক ভারতীয় বংশোদ্ভূত নাগরিকদেরও জোরপূর্বক সীমান্ত পার করে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে। রেশমা এবং তার সন্তানের সাথে ঘটা এই অমানবিক ঘটনা তারই একটি দৃষ্টান্ত বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

তবে স্থানীয়দের প্রত্যাশা, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই এবার হয়তো নিজ দেশে ফেরার পথ তৈরি হবে এই অসহায় নারী ও তার সন্তানের।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

আর্কাইভ