বুধবার রাত পৌনে ন’টা নাগাদ প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। ঠিক সেই সময়ই নতুন করে বিক্ষোভ শুরু করেন প্রতিবাদীরা।রাত বাড়তে ফের অগ্নিগর্ভ হল ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিবাদ।
বুধবার রাত পৌনে ন’টা নাগাদ প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে সাংবাদিক সম্মেলন করেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডা। ঠিক সেই সময়ই নতুন করে বিক্ষোভ শুরু করেন প্রতিবাদীরা। দিল্লির টলস্টয় মার্গে পুলিশকে লক্ষ্য পাথর ছোড়া হয়। পালটা লাঠিচার্জ শুরু করে পুলিশও। অন্যদিকে, মুম্বইতেও প্রতিবাদে নেমেছে ককরোচ জনতা পার্টির সদস্য়রা।
দিল্লি পুলিশ সূত্র খবর, যন্তর মন্তর থেকে প্রতিবাদীদের একটা বড় অংশ বুধবার এগোতে থাকে টলস্টয় মার্গের দিকে। সেখান থেকেই বাড়তে থাকে উত্তেজনা। আচমকা পুলিশকে লক্ষ্য করে শুরু হয় পাথরবৃষ্টি। পরিস্থিতি সামাল দিতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ।
ছোড়া হয় কাঁদানে গ্যাসও। প্রবল উত্তেজনার মধ্যে প্রতিবাদীদের কয়েকজনের হাতে তরোয়াল, খুকরির মতো ধারাল অস্ত্রও দেখা যায় বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ। উন্মত্ত জনতাকে সামাল দিতে গিয়ে আহত হন অন্তত পাঁচজন পুলিশকর্মী।
জানা গিয়েছে, দুই এসিপি এবং দুই ইন্সপেক্টর রয়েছেন আহতদের তালিকায়। যদিও এহেন উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে সিজেপি নেতারা মঞ্চ থেকে বারবার শান্ত থাকার বার্তা দিয়েছেন। কিন্তু প্রতিবাদীরা কর্ণপাত করেননি।
দিল্লি পুলিশ সূত্রে খবর, প্রতিবাদীদের এগোতে নিষেধ করার জন্য় আবেদন করা হয় সিজেপি নেতৃত্বকে। সেই মতো মঞ্চ থেকে নির্দেশও দেন তাঁরা। কিন্তু প্রতিবাদীরা সেকথা শোনেননি।
অন্যদিকে, মুম্বইতেও নিটের প্রশ্ন ফাঁস নিয়ে পথে নেমেছিলেন সিজেপি প্রতিনিধিরা। প্রায় দেড় হাজার প্রতিবাদী জমা হন শিবাজী পার্কে। তাঁদের মধ্যে অন্তত ২০০ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
প্রসঙ্গত, সিজেপির বিক্ষোভ কর্মসূচিকে মাথায় রেখে নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে দেশের রাজধানী। বুধবারও দেশের নানা প্রান্ত থেকে যন্তর মন্তরে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন পড়ুয়ারা।
নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে দিল্লির ১৬টি মেট্রো স্টেশন বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। দিল্লি পুলিশ, র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্সের পাশাপাশি পশ্চিমবঙ্গ থেকে অতিরিক্ত ২০ কোম্পানি সিআরপিএফ জওয়ানকে জরুরি ভিত্তিতে এয়ারলিফট করে দিল্লি এনেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক।
সূত্র: সংবাদ প্রতিদিন।

