বেনাপোল-পেট্রাপোল বন্দর দিয়ে গেট কারপাস জটিলতায় বেনাপোল ভারত–বাংলাদেশের মধ্যে আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রয়েছে। বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যরা গেট কারপাস না করার কারনে শনিবার থেকে আমদানি বানিজ্য বন্ধ রয়েছে। আমদানি বানিজ্য বন্ধ থাকার কারনে ভারতের পেট্রাপোল বন্দরে আটকা পড়েছে শত শত পন্যবাহী ট্রাক। যার অিধকাংশই বাংলাদেশের শতভাগ রপ্তানি মুখি গার্মেন্টস শিল্পের কাচামাল রয়েছে।
শনিবার (২৫ জুলাই) সকাল থেকে সিএন্ডএফ এজেন্টের সদস্যরা আমদানি বাণিজ্য বন্ধ রেখেছে। বেনাপোল চেকপোস্ট কাস্টমস কার্গো শাখার রাজস্ব কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক বদরুজ্জামান বনি জানান,এত দিন ধরে আমরা কোন অবৈধ মালামালের দায়ভার না নিয়ে ভারতীয় আমদানিকৃত পন্যবাহী ট্রাকের কারপাস (গেটপাস) দিয়ে গ্রহন করে আসছি। গতকাল শনিবার কাস্টমস কর্তৃপক্ষ হঠাৎ নির্দেশনা জারি করেন, স্ব-স্ব সিএন্ডএফ এজেন্টের কর্মচারীদের দায়িত্ব নিয়ে ভারতীয় আমদানিকৃত পণ্যবাহী ট্রাক গ্রহন করতে হবে। ওই ট্রাকে কোন অবৈধ মালামাল থাকলে সিএন্ডএফ প্রতিনিধিকে দায়ভার নিতে হবে। এ সংক্রান্ত কোন দায়ভার কাস্টমস কর্তৃপক্ষ নেবেনা। এ সংক্রান্ত কোন দায়ভার না নেওয়ার শর্তে সিএন্ডএফ এর পক্ষ থেকে আমরা কোন গেটপাশ ইশ্যু করছিনা। যার কারনে আমদানী বানিজ্য বন্ধ রয়েছে।
বেনাপোল আমদানী কারক সমিতির সাধারন সম্পাকদ জিয়াউর রহমান জিয়া জানান, ভারতীয় ব্যাবসায়ীরা বাংলাদেশে মালামাল রপ্তানী করেন। তারাই ভালো জানেন পন্যের ভিতরে কি আছে? ভারতীয় ট্রাক ড্রাইভাররা পথিমধ্যে কোন অবৈধ মালামাল তুললে তার দ্বায়ভার কোন সিএন্ডএফ এজেন্ট বা স্টাফরা নিতে পারেনা। কাস্টমসের এ ধরনের স্দ্ধিান্তের কারনে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানী বানিজ্য বন্ধ রয়েছে।
বেনাপোল বন্দরের পরিচালক, শামিম হোসেন জানান, কারপাশ জটিলতার কারনে শনিবার থেকে বেনাপোল পেট্রাপোল বন্দরের মধ্যে আমদানী বানজ্য বন্ধ রযেছে। তবে রপ্তানী ও চেকপোষ্ট দিয়ে পাসপোর্ট যাত্রী পারপার স্বাভাবিক রয়েছে।

