খবর পান সবার আগে

সবচেয়ে আগে সব খবর, ঠিক খবর, প্রতি মুহূর্তে। আমাদের নিউজলেটারে সাবস্ক্রাইব করুন এবং দেশ-বিদেশের গুরুত্বপূর্ণ সংবাদগুলো প্রতিদিন আপনার ইমেইলে পান।

― Advertisement ―

spot_imgspot_img
Homeবিশ্ব সংবাদইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা: হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন উত্তেজনা

ইরানে ফের যুক্তরাষ্ট্রের হামলা: হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন উত্তেজনা

কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস এবং দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের উপকূলীয় শহর সিরিকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়।

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে অবস্থিত কেশম দ্বীপ ও বন্দর আব্বাস এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, এসব বিস্ফোরণ যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। ঘটনাটি ঘটেছে রোববার (১২ এপ্রিল)। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার প্রতিবেদনে এ তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনের তথ্য অনুযায়ী, কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস এবং দক্ষিণাঞ্চলের হরমোজগান প্রদেশের উপকূলীয় শহর সিরিকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে সামরিক তৎপরতা বৃদ্ধি পাওয়ার খবরও প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে হামলার দাবি সামনে আসার পরপরই এসব এলাকায় বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কিংবা হতাহতের বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

এই ঘটনার আগে ইরানের ইসলামী বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) হরমুজ প্রণালি অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণার কথা জানিয়েছে বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই নৌপথ দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ জ্বালানি ও বাণিজ্যিক পণ্য পরিবহন করা হয়। ফলে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে যেকোনো উত্তেজনা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।

মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, তাদের অভিযানের লক্ষ্য হলো হরমুজ প্রণালিতে বেসামরিক বাণিজ্যিক জাহাজ চলাচলে সম্ভাব্য বাধা সৃষ্টি এবং নৌযানের ওপর হামলার সক্ষমতা কমিয়ে আনা। সেন্টকমের দাবি অনুযায়ী, এ উদ্দেশ্যেই ইরানের নির্দিষ্ট সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে।

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলমান উত্তেজনার কারণে মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সাম্প্রতিক ঘটনাকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক মহলেও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হলে তা শুধু আঞ্চলিক নিরাপত্তাই নয়, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ, সমুদ্রপথে বাণিজ্য এবং আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতেও প্রভাব ফেলতে পারে।

এদিকে ঘটনাটি নিয়ে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষ থেকে পরবর্তী সময়ে আরও বিস্তারিত আনুষ্ঠানিক বক্তব্য আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পরিস্থিতির সর্বশেষ অগ্রগতি জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বিবৃতি ও নির্ভরযোগ্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।