সর্বাধিক পঠিত

spot_img

সর্বশেষ আপডেট...

Homeট্রেন্ডিং নিউজ৩ লাখ টাকা থেকে শুরু! অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন ‘ডুয়ো’তে কী কী...

৩ লাখ টাকা থেকে শুরু! অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল আইফোন ‘ডুয়ো’তে কী কী থাকছে?

আইফোন ডুয়োর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর দুই ডিসপ্লে। ফোনটি খুললে সামনে পাওয়া যাবে ৭.৬ ইঞ্চির বড় ফোল্ডেবল স্ক্রিন। আর ফোনটি ভাঁজ করে রাখলে বাইরে থাকা ৫.৪ ইঞ্চির ডিসপ্লে দিয়ে বিভিন্ন কাজ করা যাবে।

এনবি সংবাদ আইটি ডেস্ক : প্রযুক্তি দুনিয়ায় দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে ফোল্ডেবল বা ভাঁজ করা যায় এমন স্মার্টফোনের বাজারে প্রবেশ করেছে অ্যাপল। সংস্থার নতুন এই ডিভাইসের নাম ‘আইফোন ডুয়ো’। সাধারণ আইফোনের পরিচিত নকশা থেকে বেরিয়ে সম্পূর্ণ নতুন ধরনের ফর্ম ফ্যাক্টর নিয়ে হাজির হয়েছে ফোনটি। একদিকে রয়েছে বড় আকারের ভাঁজযোগ্য অভ্যন্তরীণ ডিসপ্লে, অন্যদিকে ফোন ভাঁজ করে রাখলেও ব্যবহারের জন্য থাকছে আলাদা বাইরের স্ক্রিন।

ফোল্ডেবল স্মার্টফোনের বাজারে এত দিন স্যামসাংসহ কয়েকটি সংস্থা নিজেদের অবস্থান শক্ত করেছে। এবার সেই প্রতিযোগিতায় সরাসরি নামল অ্যাপল। ফলে প্রযুক্তিপ্রেমীদের মধ্যে নতুন আইফোন নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই তৈরি হয়েছে ব্যাপক আগ্রহ।

অ্যাপলের নতুন ফোনটি দেখতে অনেকটাই বইয়ের মতো। অর্থাৎ মাঝখান থেকে খুললে বড় স্ক্রিন পাওয়া যাবে, আবার ভাঁজ করে রাখলে এটি তুলনামূলক ছোট আকারের ফোন হিসেবে ব্যবহার করা যাবে। ফোল্ডেবল ফোনের ক্ষেত্রে এই ধরনের নকশাকে সাধারণত ‘বুক-স্টাইল’ ডিজাইন বলা হয়।

আইফোন ডুয়োর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর দুই ডিসপ্লে। ফোনটি খুললে সামনে পাওয়া যাবে ৭.৬ ইঞ্চির বড় ফোল্ডেবল স্ক্রিন। আর ফোনটি ভাঁজ করে রাখলে বাইরে থাকা ৫.৪ ইঞ্চির ডিসপ্লে দিয়ে বিভিন্ন কাজ করা যাবে।

অর্থাৎ সব সময় ফোন খুলে ব্যবহার করার প্রয়োজন হবে না। দ্রুত মেসেজ দেখা, কল করা, নোটিফিকেশন চেক করা কিংবা প্রয়োজনীয় কিছু অ্যাপ ব্যবহারের মতো কাজ বাইরের স্ক্রিন থেকেই করা সম্ভব হবে।

অ্যাপলের নকশার অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো বড় স্ক্রিন থাকা সত্ত্বেও ডিভাইসটিকে পকেটে রাখার উপযোগী করে তোলা। সংস্থার দাবি, এটি এখন পর্যন্ত তৈরি আইফোনগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বড় ডিসপ্লে দেওয়ার পাশাপাশি ভাঁজ করা অবস্থায় সহজে বহনযোগ্য।

ফোনটির ফ্রেম তৈরিতে ব্যবহার করা হয়েছে অ্যারোস্পেস-গ্রেড গ্রেড ৫ টাইটানিয়াম। এর সঙ্গে রয়েছে ‘সিরামিক শিল্ড ২’ প্রযুক্তি। ফলে ফোনটির স্থায়িত্ব এবং প্রিমিয়াম নির্মাণমানের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে অ্যাপল।

ফোল্ডেবল ফোনের অন্যতম সুবিধা হলো বড় পর্দাকে কাজে লাগিয়ে একসঙ্গে একাধিক কাজ করা। আইফোন ডুয়োতেও এই সুবিধাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

ফোনটি খোলা অবস্থায় একই সঙ্গে দুটি হোম স্ক্রিন ব্যবহারের সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি দুটি অ্যাপ চালানো যাবে। এমনকি নিচের অংশে কোনো কাজ করার সময় স্ক্রিনের ওপরের দিকে ভিডিও পিন করে রাখাও সম্ভব হবে।

ধরা যাক, আপনি একটি ই-মেইল লিখছেন এবং একই সঙ্গে কোনো ভিডিও দেখতে চান। বড় ডিসপ্লের সুবিধা নিয়ে দুটি কাজ পাশাপাশি করা সম্ভব হবে। আবার কোনো ডকুমেন্ট পড়ার সময় প্রয়োজনীয় অন্য একটি অ্যাপও পাশে খোলা রাখা যেতে পারে।

এই মাল্টিটাস্কিং সুবিধাই ফোল্ডেবল ফোনকে সাধারণ স্মার্টফোনের তুলনায় আলাদা করে তুলতে পারে।

ফোল্ডেবল ফোনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলোর একটি হলো হিঞ্জ বা কব্জা। কারণ ফোনটি প্রতিদিন বহুবার খোলা ও বন্ধ করার সময় এই অংশের ওপরই সবচেয়ে বেশি চাপ পড়ে।

আইফোন ডুয়োর হিঞ্জ তৈরিতে অ্যাপল ব্যবহার করেছে বিশেষ প্রযুক্তি। এতে রয়েছে ‘কাস্টম ভেরিয়েবল টর্ক’ প্রোফাইল, কার্বন ফাইবার প্লেট এবং বিশেষ চুম্বক ব্যবস্থা। এর উদ্দেশ্য হলো ফোনটিকে মসৃণভাবে খোলা ও ভাঁজ করা এবং ভাঁজ করার পর দুই অংশকে যথাসম্ভব সমানভাবে বসিয়ে দেওয়া।

ফোল্ডেবল ফোনের ক্ষেত্রে আরেকটি সাধারণ সমস্যা হলো স্ক্রিনের মাঝখানে ভাঁজের দাগ বা ক্রিজ দেখা দেওয়া। অ্যাপল সেই বিষয়টিও মাথায় রেখেছে। এ জন্য বিশেষ ‘মাস্কলেস লেজার লিথোগ্রাফি পলিমার’ প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। এর ফলে ডিসপ্লের মাঝের ভাঁজের চিহ্ন যতটা সম্ভব কম চোখে পড়বে বলে দাবি করা হয়েছে।

আইফোন ডুয়োতে নিরাপত্তার জন্য সাইড বাটনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়েছে টাচ আইডি। ফলে ব্যবহারকারীরা আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে দ্রুত ফোন আনলক করতে পারবেন।

এদিকে ফোনের ভেতরের ফেসটাইম ক্যামেরা ব্যবহারের প্রয়োজন না হওয়া পর্যন্ত স্ক্রিনের নিচে লুকানো থাকবে। ক্যামেরা সক্রিয় হলে সেটি প্রয়োজন অনুযায়ী দৃশ্যমান হবে।

এই ধরনের নকশা বড় ফোল্ডেবল ডিসপ্লেতে অতিরিক্ত কাটআউট বা ক্যামেরার জন্য আলাদা জায়গার প্রয়োজন কমাতে সাহায্য করতে পারে।

পারফরম্যান্সের দিক থেকেও আইফোন ডুয়োকে শক্তিশালী করার চেষ্টা করেছে অ্যাপল। ফোনটিতে রয়েছে ‘এ২০ প্রো’ চিপ। একই প্রজন্মের চিপ আইফোন ১৮ প্রো সিরিজেও ব্যবহার করা হয়েছে।

বড় স্ক্রিন এবং মাল্টিটাস্কিং সুবিধার কারণে ফোল্ডেবল ফোনে শক্তিশালী প্রসেসরের প্রয়োজন হয়। একই সময়ে একাধিক অ্যাপ চালানো, ভিডিও দেখা, ছবি সম্পাদনা কিংবা ভারী অ্যাপ ব্যবহারের ক্ষেত্রে প্রসেসরের ওপর চাপ পড়ে।

অ্যাপলের দাবি, এ২০ প্রো চিপের শক্তির কারণে আইফোন ডুয়োতে একই সময়ে একাধিক কাজ করা আরও সহজ হবে।

ফোনটি অ্যাপলের ‘ডাইনামিক্যালি অ্যাডাপটিভ আইওএস ২৭’ সফটওয়্যারে চলবে। নতুন অপারেটিং সিস্টেমকে বড় ফোল্ডেবল স্ক্রিনের সঙ্গে মানিয়ে তৈরি করা হয়েছে। ফলে ফোন খুললে সফটওয়্যার নিজে থেকেই বড় পর্দার সুবিধা কাজে লাগাতে পারবে।

আইফোন ডুয়োর দুই ডিসপ্লেতেই অ্যাপল পেন্সিল ব্যবহারের সুবিধা রয়েছে। এটি বিশেষ করে নোট নেওয়া, আঁকা, দ্রুত কোনো ধারণা লিখে রাখা কিংবা ছবি সম্পাদনার মতো কাজে ব্যবহারকারীদের জন্য কার্যকর হতে পারে।

বড় অভ্যন্তরীণ ডিসপ্লে থাকায় ফোনটি অনেকটা ছোট ট্যাবলেটের মতো অভিজ্ঞতাও দিতে পারে। তবে একই সঙ্গে এটি ফোন হিসেবেও ব্যবহার করা যাবে।

ছবির জন্য আইফোন ডুয়োতে রয়েছে ৪৮ মেগাপিক্সেলের ফিউশন মেইন ক্যামেরা। এর সঙ্গে দেওয়া হয়েছে ৪৮ মেগাপিক্সেলের আল্ট্রা-ওয়াইড ক্যামেরা।

অ্যাপল ক্যামেরার ক্ষেত্রে শুধু বেশি মেগাপিক্সেলের ওপর নির্ভর করেনি। ফোল্ডেবল ফোনের বিশেষ সুবিধাকে কাজে লাগিয়ে নতুন কিছু ফিচারও যুক্ত করা হয়েছে।

এর মধ্যে রয়েছে ‘ডুয়ো প্রিভিউ’। এর মাধ্যমে ছবি তোলার সময় বাইরের ডিসপ্লেতেই ফ্রেমিং দেখা যাবে। ফলে ফোনের সামনে থাকা ব্যক্তি কিংবা গ্রুপ ছবি তোলার ক্ষেত্রে ক্যামেরার ফ্রেম ঠিক আছে কি না সহজেই বোঝা যাবে।

এছাড়া ‘স্মার্টটেক’ নামে একটি এআই-ভিত্তিক সুবিধার কথা বলা হয়েছে। এই ফিচার ছবির পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করে সঠিক মুহূর্ত শনাক্ত করতে পারবে। যেমন কয়েকজন মানুষের ছবি তোলার সময় সবাই হাসার মুহূর্তে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ছবি তুলে নেওয়ার সুবিধা পাওয়া যেতে পারে।

প্রাথমিকভাবে আইফোন ডুয়ো দুটি রঙে পাওয়া যাবে। রঙ দুটি হলো ‘স্টার হোয়াইট’ এবং ‘নাইট স্কাই’।

অ্যাপলের পণ্যে সাধারণত রঙের পাশাপাশি নির্মাণমান ও ডিজাইনও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে থাকে। নতুন ফোল্ডেবল ফোনেও সেই প্রিমিয়াম ভাব বজায় রাখার চেষ্টা করা হয়েছে।

টাইটানিয়াম ফ্রেম এবং সিরামিক শিল্ডের সমন্বয় ফোনটিকে যেমন শক্তিশালী করার লক্ষ্য রাখছে, তেমনই এর নকশাতেও প্রিমিয়াম আবহ তৈরি করছে।

আইফোন ডুয়োর সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলোর একটি নিঃসন্দেহে এর দাম। ভারতে ফোনটির প্রাথমিক দাম রাখা হয়েছে ২,৯৯,৯০০ রুপি।

অর্থাৎ ভারতীয় বাজারে বেস মডেল কিনতেই প্রায় তিন লাখ রুপি খরচ করতে হবে। এই সংস্করণে থাকছে ২৫৬ জিবি স্টোরেজ।

প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, ফোনটির বিক্রি শুরু হবে ২৩ অক্টোবর। তার আগে ১৬ অক্টোবর থেকে প্রি-অর্ডার নেওয়া হবে।

যারা আরও বেশি স্টোরেজ চান, তাদের জন্য রয়েছে ২ টেরাবাইটের সংস্করণ। এর দাম ৪,৪৯,৯০০ রুপি। অর্থাৎ সর্বোচ্চ স্টোরেজের মডেল কিনতে প্রায় সাড়ে চার লাখ রুপি খরচ করতে হবে।

এই মূল্য ফোনটিকে সাধারণ ব্যবহারকারীদের নাগালের বাইরে নিয়ে গেলেও অ্যাপলের ফোল্ডেবল প্রযুক্তির প্রতি আগ্রহী এবং উচ্চ বাজেটের ক্রেতাদের কাছে এটি আকর্ষণীয় হতে পারে।

অ্যাপলের পক্ষ থেকে আইফোন ডুয়োকে সংস্থার অন্যতম বড় উদ্ভাবন হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। অ্যাপলের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা জন টার্নাসের বক্তব্য অনুযায়ী, মূল আইফোন বাজারে আসার পর থেকে আইফোনের ইতিহাসে এটি অন্যতম বড় পরিবর্তন।

তার মতে, হার্ডওয়্যার এবং সফটওয়্যারকে একই সঙ্গে পরিকল্পনা করে তৈরি করার সুবিধা কাজে লাগিয়ে ফোল্ডেবল ফোনের ব্যবহার অভিজ্ঞতাকে নতুনভাবে সাজানো হয়েছে।

বড় ডিসপ্লে থাকা সত্ত্বেও ফোনটি ভাঁজ করে সহজে পকেটে রাখা যায়—এই বিষয়টিকেও অ্যাপল বিশেষভাবে সামনে আনছে।

আইফোন ডুয়োর পাশাপাশি অ্যাপল তাদের ‘সারপ্রাইজ অ্যান্ড শাইন’ ইভেন্টে আইফোন ১৮ প্রো এবং আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সও উন্মোচন করেছে।

ভারতে আইফোন ১৮ প্রোর দাম শুরু হচ্ছে ১,৬৪,৯০০ রুপি থেকে। আর আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সের প্রাথমিক দাম ১,৭৯,৯০০ রুপি।

আইফোন ১৮ প্রোতে রয়েছে ৬.৩ ইঞ্চির ডিসপ্লে। ফোনটি ২৫৬ জিবি, ৫১২ জিবি, ১ টেরাবাইট এবং ২ টেরাবাইট—এই চারটি স্টোরেজ বিকল্পে পাওয়া যাবে।

অন্যদিকে আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্সে রয়েছে ৬.৯ ইঞ্চির বড় ডিসপ্লে। এটিও একই ধরনের চারটি স্টোরেজ কনফিগারেশনে বাজারে এসেছে।

নতুন প্রো মডেলগুলোতে ব্যবহার করা হয়েছে এ২০ প্রো চিপ। পাশাপাশি অ্যাপলের নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি সি২ মডেমও রয়েছে।

রঙের ক্ষেত্রেও নতুনত্ব রাখা হয়েছে। কালো, রুপোলি ও গ্লেসিয়ারের পাশাপাশি নতুন বারগান্ডি রঙে পাওয়া যাচ্ছে আইফোন ১৮ প্রো এবং আইফোন ১৮ প্রো ম্যাক্স।

অ্যাপলের ফোল্ডেবল ফোন বাজারে প্রবেশ প্রযুক্তি দুনিয়ার জন্য নিঃসন্দেহে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। কারণ অ্যাপল এত দিন এই বিভাগে সরাসরি কোনো ডিভাইস নিয়ে আসেনি। ফলে ফোল্ডেবল বাজারে দীর্ঘদিন ধরে শক্ত অবস্থানে থাকা স্যামসাংয়ের সঙ্গে এবার অ্যাপলের সরাসরি প্রতিযোগিতা তৈরি হলো।

তবে শুধু নতুন প্রযুক্তি থাকলেই একটি ফোন সফল হয় না। দাম, ব্যাটারি, স্থায়িত্ব, সফটওয়্যার অভিজ্ঞতা এবং ব্যবহারকারীর বাস্তব প্রয়োজন—সবকিছুই গুরুত্বপূর্ণ।

আইফোন ডুয়োর ক্ষেত্রে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হতে পারে এর দাম। সাধারণ আইফোনের তুলনায় অনেক বেশি দামের কারণে সবাই এটি কিনতে পারবেন না। তবে যারা বড় স্ক্রিন, মাল্টিটাস্কিং এবং নতুন ধরনের মোবাইল অভিজ্ঞতা চান, তাদের কাছে ডিভাইসটি আকর্ষণীয় হয়ে উঠতে পারে।

সব মিলিয়ে আইফোন ডুয়ো শুধু অ্যাপলের নতুন একটি ফোন নয়; এটি সংস্থার স্মার্টফোন ব্যবসার একটি নতুন অধ্যায়ের সূচনা। ভাঁজযোগ্য ফোনের বাজারে অ্যাপলের প্রবেশের ফলে প্রতিযোগিতা আরও বাড়বে এবং ভবিষ্যতে অন্যান্য নির্মাতারাও আরও উন্নত ফোল্ডেবল প্রযুক্তি নিয়ে আসতে উৎসাহিত হতে পারে।

এখন দেখার বিষয়, বাস্তবে বাজারে আসার পর আইফোন ডুয়ো ব্যবহারকারীদের কতটা সন্তুষ্ট করতে পারে এবং এত বেশি দাম তার জনপ্রিয়তার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায় কি না।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ