নিজস্ব প্রতিবেদক, নিউজ বাংলা : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, যুবসমাজ যেকোনো জাতির প্রাণশক্তি এবং জাতীয় অগ্রগতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। দেশের স্বাধীনতা অর্জন, জাতীয় সংকট মোকাবিলা ও উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে তরুণদের অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাদের মেধা, উদ্ভাবনী চিন্তা, কর্মদক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগাতে পারলে বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভরশীল রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।
জাতীয় যুব দিবস-২০২৬ উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। আগামীকাল ১ নভেম্বর দেশে জাতীয় যুব দিবস পালিত হবে। এবারের দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’। দিবসটি উপলক্ষে আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির সফলতা কামনা করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জন থেকে শুরু করে বিভিন্ন জাতীয় সংকট মোকাবিলা এবং উন্নয়নের প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে যুবসমাজ উল্লেখযোগ্য ভূমিকা পালন করেছে। দেশের সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অগ্রগতিতেও তরুণদের অবদান অনস্বীকার্য।
তিনি মনে করেন, একটি দেশের ভবিষ্যৎ নির্ভর করে তার তরুণ প্রজন্মের সক্ষমতা, কর্মস্পৃহা ও দায়িত্ববোধের ওপর। তাই যুবসমাজকে যথাযথ প্রশিক্ষণ, কর্মসংস্থানের সুযোগ এবং আধুনিক প্রযুক্তির সঙ্গে পরিচিত করার মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নের মূল স্রোতে যুক্ত করা প্রয়োজন।
তরুণদের সঠিকভাবে গড়ে তুলতে পারলে তারা শুধু নিজেদের জীবনমান উন্নত করবেন না, বরং দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী করা এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারবেন।
জাতি গঠনে যুবসমাজের সম্ভাবনা উপলব্ধি করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান তরুণদের সংগঠিত করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন বলে বাণীতে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি জানান, জিয়াউর রহমানের নির্দেশনায় ১৯৭৮ সালে যুব উন্নয়ন মন্ত্রণালয় প্রতিষ্ঠিত হয়। পরবর্তী সময়ে মন্ত্রণালয়টি যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের তরুণদের কাছে যুব উন্নয়ন কার্যক্রম পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে ১৯৮১ সালে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা করা হয়। এর মাধ্যমে যুবসমাজের দক্ষতা বৃদ্ধি, কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি এবং আত্মকর্মসংস্থানকে উৎসাহিত করার কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যক্রমের ফলে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তরুণ-তরুণীরা প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজেদের কর্মজীবন গড়ে তোলার সুযোগ পেয়েছেন। দক্ষ জনশক্তি তৈরি এবং তরুণদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করার ক্ষেত্রে এসব উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার যুব উন্নয়নবিষয়ক উদ্যোগের কথাও স্মরণ করেন।
তিনি বলেন, ১৯৯১ সালে যুবসমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়ানো এবং কারিগরি ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তরুণদের স্বাবলম্বী করে তুলতে দেশের সব জেলায় যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেওয়া হয়।
এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য ছিল তরুণদের এমন দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা, যাতে তারা চাকরির পাশাপাশি নিজেরাই কর্মসংস্থান তৈরি করতে পারেন। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে নতুন পেশায় যুক্ত হওয়া, ক্ষুদ্র উদ্যোগ গড়ে তোলা এবং স্থানীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখার সুযোগ তৈরি হয়।
বর্তমান সময়ে কর্মসংস্থানের ধরন দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। ফলে তরুণদের জন্য যুগোপযোগী প্রশিক্ষণ ও বাস্তবভিত্তিক শিক্ষার গুরুত্ব আরও বেড়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের সাফল্য তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত ৮০ লাখের বেশি তরুণ-তরুণী বিভিন্ন মেয়াদে দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ পেয়েছেন।
তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রশিক্ষণপ্রাপ্তদের মধ্যে প্রায় ২৫ লাখ মানুষ আত্মকর্মসংস্থানের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হয়েছেন। তারা নিজেদের উদ্যোগে আয় করার পাশাপাশি অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে অবদান রাখছেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, এসব আত্মকর্মসংস্থানমূলক উদ্যোগের মাধ্যমে অনেক তরুণ-তরুণী মাসে ২০ হাজার থেকে ১ লাখ টাকা আয় করছেন। কোনো কোনো ক্ষেত্রে তাদের মাসিক আয় এর চেয়েও বেশি।
এই তথ্য তরুণদের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা তৈরির সম্ভাবনাকে তুলে ধরে। তবে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ আরও বিস্তৃত করতে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি সহজ শর্তে অর্থায়ন, বাজারসংযোগ এবং ব্যবসা পরিচালনার বিষয়ে প্রয়োজনীয় সহায়তা নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ।
যুব উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী জানান, ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত ২ হাজার ৮৬১ কোটি ৮৭ লাখ টাকার যুবঋণ বিতরণ করা হয়েছে।
যুবঋণের মাধ্যমে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত তরুণদের ব্যবসা শুরু করা, ক্ষুদ্র উদ্যোগ সম্প্রসারণ এবং আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।
অনেক তরুণের নতুন ব্যবসা শুরু করার মতো ভালো পরিকল্পনা থাকলেও পর্যাপ্ত পুঁজির অভাবে তারা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করতে পারেন না। এ ক্ষেত্রে সহজ শর্তে ঋণ ও প্রয়োজনীয় পরামর্শ তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হতে পারে।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, যুবসমাজের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে প্রশিক্ষণ, অর্থায়ন ও উদ্যোক্তাবান্ধব পরিবেশ তৈরির উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে।
জাতি গঠনে অবদান রাখা তরুণ উদ্যোক্তা, আত্মকর্মী নারী-পুরুষ এবং যুব সংগঠকদের স্বীকৃতি দিতে জাতীয় যুব পুরস্কারকে একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ হিসেবে উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি জানান, এ পর্যন্ত ৫৪৬ জন আত্মকর্মী নারী-পুরুষ ও যুব সংগঠককে এই সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। সমাজ ও দেশের উন্নয়নে তাদের অবদানকে স্বীকৃতি দেওয়ার পাশাপাশি অন্য তরুণদেরও অনুপ্রাণিত করতে এ পুরস্কার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
জাতীয় যুব দিবস উপলক্ষে এ বছর যারা পুরস্কার পেয়েছেন, প্রধানমন্ত্রী তাদের অভিনন্দন জানান।
তাঁর মতে, তরুণদের ইতিবাচক উদ্যোগের স্বীকৃতি তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়ায়। একই সঙ্গে নতুন প্রজন্মকে সামাজিক উন্নয়ন, উদ্যোক্তা কার্যক্রম ও জনকল্যাণমূলক কাজে অংশ নিতে উৎসাহিত করে।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জন বর্তমান বিশ্বে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য অপরিহার্য হয়ে উঠেছে।
বিশ্বের শ্রমবাজারে প্রতিনিয়ত নতুন প্রযুক্তি যুক্ত হচ্ছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল সেবা, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি এবং অনলাইনভিত্তিক কাজের প্রসার কর্মক্ষেত্রের ধরন বদলে দিচ্ছে। এ পরিস্থিতিতে তরুণদের শুধু প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষার ওপর নির্ভর না করে ব্যবহারিক জ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ হয়ে উঠতে হবে।
তিনি বলেন, পরিবর্তনশীল বৈশ্বিক পরিস্থিতির সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে তরুণদের নতুন নতুন দক্ষতা অর্জন করতে হবে। এতে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে।
যুবসমাজকে আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পরপরই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রকল্প গ্রহণ করেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ফ্রিল্যান্সিং ও এআই প্রকল্পের মাধ্যমে প্রশিক্ষণার্থীরা প্রযুক্তিগত দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি অনলাইনে কাজ করার সুযোগ পাচ্ছেন। এর ফলে তারা আন্তর্জাতিক বাজারে নিজেদের সেবা দেওয়ার মাধ্যমে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করতে পারছেন।
ফ্রিল্যান্সিংয়ের মাধ্যমে গ্রাফিক ডিজাইন, ওয়েব ডেভেলপমেন্ট, ডিজিটাল মার্কেটিং, কনটেন্ট তৈরি ও তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে কাজ করার সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, এআইভিত্তিক দক্ষতা অর্জন ভবিষ্যতের কর্মক্ষেত্রে তরুণদের আরও প্রস্তুত করে তুলতে পারে।
প্রযুক্তিনির্ভর এসব প্রশিক্ষণ কার্যক্রম কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করা গেলে শহরের পাশাপাশি গ্রামের তরুণদের জন্যও নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
জাতীয় উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণেও তরুণদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, ইমপ্যাক্ট প্রকল্পের আওতায় তরুণরা বায়োগ্যাস প্ল্যান্ট স্থাপনের মাধ্যমে পরিবেশ সংরক্ষণে অবদান রাখছেন।
বায়োগ্যাস প্রযুক্তির মাধ্যমে জৈব বর্জ্য ব্যবহার করে জ্বালানি উৎপাদন করা সম্ভব। এতে বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উন্নতির পাশাপাশি প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানোর সুযোগ তৈরি হয়।
পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ব্যবহারে তরুণদের সম্পৃক্ত করা গেলে একদিকে যেমন নতুন উদ্যোক্তা তৈরির সুযোগ বাড়বে, অন্যদিকে পরিবেশ সুরক্ষা ও টেকসই উন্নয়নেও ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।
প্রধানমন্ত্রী মনে করেন, দেশের তরুণদের পরিবেশ সচেতনতা ও উদ্ভাবনী চিন্তাকে কাজে লাগিয়ে উন্নয়ন কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করা সম্ভব।
যুবসমাজকে ভবিষ্যতের কর্মসংস্থানের জন্য প্রস্তুত করতে কয়েকটি সম্ভাবনাময় খাতে প্রশিক্ষণ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
তিনি স্মার্ট কৃষি, রপ্তানিমুখী প্যাকেজিং, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ এবং বিদেশি ভাষা শিক্ষার মতো ক্ষেত্রেনতুন প্রশিক্ষণ কর্মসূচি চালুর ওপর জোর দেন।
স্মার্ট কৃষির মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষি উৎপাদন বাড়ানো এবং উৎপাদন খরচ কমানোর সুযোগ রয়েছে। অন্যদিকে, খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ ও উন্নত প্যাকেজিংয়ের দক্ষতা অর্জন করলে কৃষিপণ্যকে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বাজারে আরও প্রতিযোগিতামূলক করে তোলা সম্ভব।
বিদেশি ভাষা শেখার মাধ্যমে তরুণরা আন্তর্জাতিক কর্মসংস্থান, পর্যটন, অনুবাদ এবং বিভিন্ন পেশাগত ক্ষেত্রে নিজেদের সম্ভাবনা বাড়াতে পারবেন।
প্রধানমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, এসব প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে আধুনিক, দক্ষ ও প্রতিযোগিতামূলক জনশক্তি গড়ে তোলা সম্ভব হবে।
তরুণদের উদ্ভাবনী উদ্যোগকে উৎসাহিত করতে সরকার ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ তহবিল ঘোষণা করেছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, সম্ভাবনাময় উদ্যোগগুলো যেন অর্থের অভাবে ব্যর্থ না হয়, সে লক্ষ্যেই দেশে প্রথমবারের মতো স্টার্টআপ বাজেট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
নতুন ব্যবসা বা প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার ক্ষেত্রে প্রাথমিক পুঁজি একটি বড় চ্যালেঞ্জ। অনেক তরুণের নতুন পণ্য, ডিজিটাল সেবা কিংবা প্রযুক্তিভিত্তিক ব্যবসার পরিকল্পনা থাকলেও প্রয়োজনীয় অর্থের অভাবে তা বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়ে।
এ ধরনের উদ্যোগে অর্থায়নের সুযোগ তৈরি হলে তরুণ উদ্যোক্তারা নতুন পণ্য ও সেবা নিয়ে কাজ করতে পারবেন। পাশাপাশি নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন এবং দেশের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণেও ভূমিকা রাখতে পারবেন।
প্রধানমন্ত্রী তরুণদের নিজেদের প্রতিভা, উদ্ভাবনী সক্ষমতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা বিকাশের মাধ্যমে জাতীয় উন্নয়নে আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।
জাতীয় যুব দিবস-২০২৬-এর প্রতিপাদ্য ‘দক্ষ যুব গড়বে দেশ, সবার জন্য বাংলাদেশ’ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন, নেতৃত্ব এবং ভবিষ্যৎ অগ্রযাত্রায় যুবসমাজের ভূমিকা আরও কার্যকর হবে বলে তিনি আশাবাদী।
তিনি মনে করেন, দক্ষতা অর্জন, উদ্ভাবনী চিন্তার বিকাশ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণের মাধ্যমে তরুণরা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়ার পাশাপাশি দেশের উন্নয়নেও অবদান রাখতে পারবেন।


