সর্বাধিক পঠিত

spot_img

সর্বশেষ আপডেট...

Homeবিশ্ব সংবাদপ্যারিসসহ ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে সংঘর্ষ, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ

প্যারিসসহ ফ্রান্সের বিভিন্ন শহরে সংঘর্ষ, বাড়ছে রাজনৈতিক চাপ

২৬ বছর বয়সী ওই নারী অভিযোগ করেন, সাধারণ মানুষের ওপর করের চাপ বাড়লেও তাঁদের বক্তব্য যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অসন্তোষ থেকেই এবার তাঁরা প্রতিবাদে অংশ নিয়েছেন বলে জানান তিনি।

নিউজ বাংলা, আন্তর্জাতিক ডেক্স : ফ্রান্সজুড়ে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, উচ্চ কর এবং বিভিন্ন সামাজিক সমস্যার প্রতিবাদে আবারও ব্যাপক গণবিক্ষোভ হয়েছে। শনিবার দেশটির বিভিন্ন শহরে কয়েক লাখ মানুষ রাস্তায় নামেন। দিনের বেশির ভাগ সময় বিক্ষোভ শান্তিপূর্ণ থাকলেও রাতের দিকে প্যারিসসহ কয়েকটি শহরে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস, জলকামান ও লাঠিচার্জ ব্যবহার করে। এ ঘটনায় প্রায় এক হাজার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনিয়েজ।

গত সপ্তাহের সহিংসতা ও ব্যাপক লুটপাটের পুনরাবৃত্তি ঠেকাতে ফরাসি কর্তৃপক্ষ এবার আগেভাগেই কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করে। দেশজুড়ে প্রায় ৭০ হাজার পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়। বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে বিশেষ বিধিনিষেধও আরোপ করা হয়। তারপরও কয়েকটি স্থানে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।

ফ্রান্সের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, শনিবারের গণবিক্ষোভে প্রায় ৪ লাখ ১০ হাজার মানুষ অংশ নেন। তবে শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর দাবি, বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ৮ লাখ। সরকারি হিসাব ও শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর দেওয়া তথ্যে এই বড় পার্থক্য বিক্ষোভের ব্যাপকতা নিয়ে দুই পক্ষের ভিন্ন চিত্র তুলে ধরেছে।

বিক্ষোভকারীদের প্রধান দাবির মধ্যে রয়েছে জীবনযাত্রার ব্যয় কমানো, করের বোঝা হ্রাস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ ও পরিস্থিতির উন্নতি এবং সরকারের নীতিতে পরিবর্তন আনা। অনেকের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি এবং আর্থিক চাপ সাধারণ মানুষের জীবনকে কঠিন করে তুলেছে।

বিক্ষোভে অংশ নেওয়া বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে শিক্ষার্থী, শ্রমজীবী মানুষ এবং শ্রমিক ইউনিয়নের সদস্যরা ছিলেন। তাঁদের অনেকেই মনে করেন, দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা ক্ষোভ প্রকাশের জন্য রাজপথে নামা ছাড়া তাঁদের সামনে কার্যকর কোনো পথ নেই।

ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসে শনিবারের কর্মসূচির শুরুতে পরিস্থিতি তুলনামূলক শান্ত ছিল। পোর্ত দ্য ইতালি এলাকা থেকে পোর্ত দ্য ভঁসেন পর্যন্ত একটি শান্তিপূর্ণ পদযাত্রার আয়োজন করা হয়। তবে মিছিলের শেষ দিকে বিক্ষোভকারীদের একাংশের সঙ্গে দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণে নিয়োজিত পুলিশের সংঘর্ষ শুরু হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, কিছু বিক্ষোভকারী অস্থায়ী ব্যারিকেড তৈরি করেন এবং পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে বিভিন্ন বস্তু ছুড়ে মারেন। এ সময় মুখোশ পরা একদল তরুণ একটি গাড়ির শোরুমের জানালা ভাঙচুর করেন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা চালায়।

অভিযানে পুলিশের একটি বিশেষায়িত ইউনিটও অংশ নেয়। সাধারণত সংঘবদ্ধ অপরাধ ও সন্ত্রাসবাদ দমনের মতো গুরুত্বপূর্ণ নিরাপত্তা কার্যক্রমে এই ইউনিট কাজ করে।

ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনিয়েজ জানান, পদযাত্রার পেছনের অংশে কয়েক হাজার উগ্রপন্থী ব্যক্তি জড়ো হয়েছিলেন। তাঁদের মধ্যে প্রায় ৫০০ জনকে দাঙ্গায় অংশ নেওয়া ব্যক্তি হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ফ্রান্সের দক্ষিণাঞ্চলীয় বন্দরনগরী মার্সেইয়েও বিক্ষোভের সময় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। শহরের বিভিন্ন স্থানে আবর্জনার পাত্রে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। রাস্তা বন্ধ করতে ধাতব পাত ব্যবহার করে ব্যারিকেড তৈরি করেন বিক্ষোভকারীদের একাংশ।

দেশটির দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর মার্সেইয়ে জ্বলন্ত ব্যারিকেডের মধ্য দিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একটি গাড়িকে চলাচল করতে দেখা যায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশকে সতর্ক অবস্থানে থাকতে হয়।

অন্যদিকে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর বোর্দোতে কালো পোশাক ও মুখোশ পরা কয়েকজন বিক্ষোভকারী একটি ভবনের কাঠের পাটাতন খুলে নেন। পরে সেগুলো রাস্তার ওপর রেখে ব্যারিকেড তৈরি করা হয়। এসব ঘটনায় শহরটির স্বাভাবিক চলাচল ব্যাহত হয়।

লিয়োঁ শহরেও পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের উত্তেজনা দেখা দেয়। স্থানীয় প্রশাসনের নিষিদ্ধ ঘোষিত একটি এলাকায় জড়ো হওয়া জনতাকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের গ্রেনেড ব্যবহার করে।

লিয়োঁর এক বিক্ষোভকারী জানান, তাঁদের দলে প্রায় ১৫০ জন ছিলেন। তাঁদের অধিকাংশই মাধ্যমিক স্কুল ও বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী। তাঁর দাবি, সমাবেশের কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ছুড়তে শুরু করে। এতে রাস্তায় চলাচল ও পরিস্থিতি বোঝা কঠিন হয়ে পড়ে।

শনিবার দিনের শেষভাগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ নুনিয়েজ জানান, দেশজুড়ে বিক্ষোভের ঘটনায় প্রায় এক হাজার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর গ্রেপ্তারের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলেও তিনি ইঙ্গিত দেন।

মন্ত্রী আরও জানান, সংঘর্ষে দুজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাঁদের একজন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর তুলুজে এবং অন্যজন মধ্য ফ্রান্সের ক্লেরমঁ-ফেরঁ শহরে আহত হন।

গত সপ্তাহের সহিংসতার অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার ব্যাপক নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করেছিল ফরাসি প্রশাসন। তবে বিভিন্ন শহরে সংঘর্ষ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ রয়ে গেছে।

ফ্রান্সের চলমান গণবিক্ষোভের পেছনে রয়েছে জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, অর্থনৈতিক চাপ, করব্যবস্থা নিয়ে অসন্তোষ এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিবেশ নিয়ে উদ্বেগ। বিক্ষোভকারীদের অনেকেই মনে করেন, সরকারের নীতির কারণে সাধারণ মানুষের আর্থিক চাপ বেড়েছে। তাঁদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে এসব সমস্যার সমাধান না হওয়ায় ক্ষোভ আরও তীব্র হয়েছে।

প্যারিসে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে অংশ নেওয়া জেলি নামের এক নারী বিবিসিকে বলেন, মানুষ ভীষণ হতাশা থেকে রাস্তায় নেমেছে। তাঁর মতে, এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ক্ষমতায় আসার পর থেকে অনেক মানুষ নানা ধরনের কষ্টের মধ্যে রয়েছে।

২৬ বছর বয়সী ওই নারী অভিযোগ করেন, সাধারণ মানুষের ওপর করের চাপ বাড়লেও তাঁদের বক্তব্য যথাযথ গুরুত্ব পাচ্ছে না। দীর্ঘদিন ধরে জমে থাকা অসন্তোষ থেকেই এবার তাঁরা প্রতিবাদে অংশ নিয়েছেন বলে জানান তিনি।

মুখোশ পরা দুই কিশোর বিক্ষোভকারীও নিজেদের ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশার কথা জানান। তাঁদের মতে, তরুণ প্রজন্মের একটি অংশ মনে করে সরকার তাদের সমস্যাগুলোকে যথেষ্ট গুরুত্ব দিচ্ছে না।

গত সপ্তাহের বিক্ষোভে দোকানপাটে লুটপাটের ঘটনা সম্পর্কে এক কিশোর বলেন, এ ধরনের কাজ সমর্থনযোগ্য নয়। তবে তাঁর মতে, দারিদ্র্য ও পুলিশের আচরণ নিয়ে অসন্তোষও পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার পেছনে ভূমিকা রেখেছে।

ওই কিশোর আরও বলেন, তাঁদের দাবির জবাব পাওয়া গেলে বিক্ষোভ শেষ হতে পারে। তাঁরা ফ্রান্সে বাস্তব পরিবর্তন দেখতে চান।

শনিবারের বিক্ষোভের আগে গত সপ্তাহান্তে ফ্রান্সে আরও বড় ধরনের বিশৃঙ্খলা দেখা দিয়েছিল। জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি ও জীবনযাত্রার ব্যয়ের প্রতিবাদে আয়োজিত ওই কর্মসূচিতে প্রায় পাঁচ লাখ ৫০ হাজার মানুষ অংশ নেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। কয়েক সপ্তাহ ধরে চলা শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভও পরিস্থিতিকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে।

শুরুতে অধিকাংশ মিছিল শান্তিপূর্ণ থাকলেও পরে বিভিন্ন স্থানে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট ছড়িয়ে পড়ে। ওই পরিস্থিতিতে প্রায় আড়াই হাজার ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে।

ফ্রান্সের চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি বা সিসিআইয়ের হিসাব অনুযায়ী, দেশজুড়ে দুই হাজারের বেশি দোকান ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ক্ষয়ক্ষতির আর্থিক পরিমাণ কয়েক শ মিলিয়ন ইউরো হতে পারে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে।

এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, জনতা নিয়ন্ত্রণে ব্যবহৃত পুলিশের একটি গ্রেনেডের বিস্ফোরণে একজন বিক্ষোভকারী গুরুতরভাবে আহত হন এবং তাঁর একটি হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ছাড়া প্রায় এক হাজার পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্যারিসসহ কয়েকটি শহরে রাতভর কারফিউ জারি করতে হয়েছিল বলে ফরাসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

ক্রমবর্ধমান সহিংসতা ঠেকাতে ফরাসি প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ চলতি সপ্তাহের শুরুতে বিক্ষোভের অনুমোদন নিয়ে কঠোর অবস্থানের কথা জানান। তাঁর নির্দেশনা অনুযায়ী, স্বীকৃত শ্রমিক ইউনিয়নগুলোর আয়োজিত বিক্ষোভকেই অনুমোদন দেওয়ার কথা বলা হয়।

এদিকে ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ ও লুটপাটের অভিযোগে শত শত ব্যক্তির বিরুদ্ধে দ্রুত বিচারপ্রক্রিয়ায় কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, কঠোর নিরাপত্তাব্যবস্থা গ্রহণ করলেই তাঁদের মূল সমস্যার সমাধান হবে না।

ফ্রান্সের মধ্য-উত্তরাঞ্চলীয় শহর অর্লেয়াঁয়কট্টর ডানপন্থী ন্যাশনাল র‍্যালি দলের বিরুদ্ধে আয়োজিত একটি সমাবেশে প্রায় ১৩ হাজার মানুষ অংশ নেন। কর্মসূচিটি শান্তিপূর্ণভাবে শেষ হয়।

ফ্রান্সে গণবিক্ষোভের পাশাপাশি শনিবার ইউরোপের আরও কয়েকটি শহরে সরকারবিরোধী প্রতিবাদ ও সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়।

আলবেনিয়ার রাজধানী তিরানায় হাজার হাজার সরকারবিরোধী বিক্ষোভকারীকে ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ব্যবহার করে। বেলজিয়ামের রাজধানী ব্রাসেলসেও সংঘর্ষের খবর পাওয়া যায়।

উত্তর ইতালির মিলান শহরে সম্ভাব্য সহিংসতা ঠেকাতে পুলিশ ও শত শত সেনাসদস্যকে নিয়ে বড় ধরনের নিরাপত্তা অভিযান পরিচালনা করা হয়। আগের সপ্তাহের বিক্ষোভে অগ্নিসংযোগ, দোকান ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটায় কর্তৃপক্ষ নতুন করে অস্থিরতা ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছিল।

বিভিন্ন দেশের এসব বিক্ষোভের কারণ এক নয়। তবে জীবনযাত্রার ব্যয়, অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা এবং সরকারের নীতির বিরুদ্ধে অসন্তোষ কয়েকটি আন্দোলনের গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হয়ে উঠেছে।

ফ্রান্সের চলমান বিক্ষোভের রাজনৈতিক গুরুত্বও বাড়ছে। ছয় মাস পর দেশটিতে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে নির্বাচনে এগিয়ে থাকা প্রার্থীরা চলমান সংকটের জন্য এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ ও তাঁর মন্ত্রিসভার সমালোচনা করছেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

বিক্ষোভের কারণে সরকারের ওপর রাজনৈতিক চাপ বাড়লেও পরিস্থিতি কোন দিকে যাবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়। একদিকে কর্তৃপক্ষ সহিংসতা ও লুটপাট ঠেকাতে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে। অন্যদিকে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ অর্থনৈতিক ও সামাজিক সমস্যার স্থায়ী সমাধান দাবি করছে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ