সর্বাধিক পঠিত

spot_img

সর্বশেষ আপডেট...

Homeবিশ্ব সংবাদফ্রান্সজুড়ে দাঙ্গা ও লুটপাট, প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে কারফিউ জারি

ফ্রান্সজুড়ে দাঙ্গা ও লুটপাট, প্যারিসসহ বিভিন্ন শহরে কারফিউ জারি

প্যারিসের কেন্দ্রস্থলের আরও কয়েকটি এলাকায় অনুমতি ছাড়া জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।

নিউজ বাংলা, আন্তর্জাতিক ডেক্স : ফ্রান্সজুড়ে ব্যাপক বিক্ষোভ, দাঙ্গা ও লুটপাটের ঘটনার পর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে দেশটির সরকার। রাজধানী প্যারিসের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এবং মার্সেই, লিওঁ, বোর্দো, নিস ও লিলসহ বিভিন্ন শহরে রাতের কারফিউ জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি বেশ কয়েকটি এলাকায় অনুমতি ছাড়া জনসমাগমের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে পুলিশ।

ক্রমবর্ধমান সহিংসতা, সরকারি সম্পত্তি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে হামলা এবং পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের সংঘর্ষে দেশজুড়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্থানীয় প্রশাসনকে আরও ক্ষমতা দেওয়ার পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে দাঙ্গায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করতে তদন্ত জোরদার করা হয়েছে।

প্যারিস পুলিশের ঘোষণা অনুযায়ী, স্থানীয় সময় রাত ১১টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত রাজধানীর প্লাস দে লা রিপাবলিক ও লে আল শপিং এলাকার কিছু অংশে কারফিউ কার্যকর থাকবে। সপ্তাহান্তে এসব এলাকায় বিপুলসংখ্যক বিক্ষোভকারী জড়ো হয়েছিলেন। সহিংসতা ও লুটপাটের আশঙ্কা কমাতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া প্যারিসের কেন্দ্রস্থলের আরও কয়েকটি এলাকায় অনুমতি ছাড়া জমায়েত নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হচ্ছে।

রাজধানীর বাইরেও একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। দক্ষিণ ফ্রান্সের মার্সেই, বোর্দো, নিস ও লিওঁ এবং উত্তরের লিলসহ বিভিন্ন শহরে তরুণদের চলাচল ও জনসমাগম সীমিত করতে আংশিক কারফিউ ঘোষণা করা হয়েছে।

কর্তৃপক্ষের লক্ষ্য, রাতের বেলায় সংঘবদ্ধ হামলা, অগ্নিসংযোগ ও দোকানপাটে লুটপাটের মতো ঘটনা প্রতিরোধ করা। তবে শহরভেদে কারফিউয়ের আওতা ও বিধিনিষেধের ধরন আলাদা হতে পারে।

দাঙ্গা মোকাবিলায় পুলিশের প্রস্তুতি ও সরকারের পদক্ষেপ নিয়ে ফ্রান্সের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিতর্ক শুরু হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরঁ নুনেজ স্বীকার করেছেন, কয়েকটি শহরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি। এ কারণে বিরোধী রাজনীতিকেরা তাঁর ভূমিকার কঠোর সমালোচনা করেছেন।

পরিস্থিতির দায় নিয়ে নুনেজ পদত্যাগের প্রস্তাব দিয়েছিলেন বলে জানিয়েছে এলিসি প্রাসাদ। তবে প্রেসিডেন্ট এমানুয়েল ম্যাক্রোঁ সেই প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেন। সরকারের বক্তব্য অনুযায়ী, চলমান সংকটের মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ওপর কার্যকর নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা জরুরি।

এদিকে, প্রেসিডেন্ট ম্যাক্রোঁ পরিস্থিতি মোকাবিলায় গোয়েন্দা তথ্যের ঘাটতি ও দূরদর্শিতার অভাব নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে জানানো হয়েছে। ফলে দাঙ্গার পূর্বাভাস, পুলিশের প্রস্তুতি এবং প্রশাসনিক সমন্বয় নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।

ফ্রান্সের চলমান সহিংসতায় ব্যাপক প্রাণহানি ও সম্পদের ক্ষতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। কর্মকর্তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দাঙ্গা ও বিক্ষোভের ঘটনায় আড়াই হাজারের বেশি মানুষকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণের সময় পুলিশের ছোড়া গ্রেনেডের আঘাতে একজন বিক্ষোভকারীর হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। এ ছাড়া সংঘর্ষে প্রায় এক হাজার পুলিশ কর্মকর্তা আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ ধরনের পরিস্থিতিতে নিরাপত্তা বাহিনীর শক্তি প্রয়োগের ধরন নিয়েও বিতর্ক তৈরি হতে পারে। একদিকে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা, অন্যদিকে বিক্ষোভকারীদের অধিকার ও নিরাপত্তা রক্ষা করা দুই বিষয়ের মধ্যে ভারসাম্য বজায় রাখা ফরাসি প্রশাসনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সংকট মোকাবিলায় সোমবার এক বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়ান লেকর্নু জানান, প্রয়োজন অনুযায়ী কারফিউ জারির ক্ষমতা স্থানীয় মেয়রদের দেওয়া হচ্ছে। তবে কোন কোন শহরে এই ক্ষমতা প্রয়োগ করা হবে, সে বিষয়ে তিনি বিস্তারিত জানাননি।

প্রধানমন্ত্রী দেশজুড়ে জরুরি অবস্থা জারির সম্ভাবনাও পুরোপুরি নাকচ করেননি। তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার আরও কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় রাখছে।

লেকর্নু আরও জানান, দাঙ্গায় ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো পুনরুদ্ধারে সরকার অর্থ বরাদ্দ দেবে। তবে সরকারি ও বেসরকারি সম্পত্তির ক্ষতিসাধনকারীদের কাছ থেকেই ক্ষতিপূরণ আদায়ের জন্য আইন প্রণয়নের পরিকল্পনা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা সম্পত্তি ধ্বংস করেছে, তাদের কাছ থেকে ক্ষতিপূরণ আদায়ের ব্যবস্থা করতে একটি আইন করা হবে। এই উদ্যোগের মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ী ও স্থানীয় জনগণের আর্থিক ক্ষতি কিছুটা হলেও পূরণ করার চেষ্টা করবে সরকার।

ফ্রান্সজুড়ে সহিংসতার কারণে অনেক কর্মী কর্মস্থলে যেতে পারেননি। কোথাও দোকান বন্ধ রাখতে হয়েছে, আবার কোথাও আগুন ও ভাঙচুরের কারণে ব্যবসা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে।

এই পরিস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্ত কর্মীদের জন্য আংশিক বেকারত্ব ভাতার ব্যবস্থা করার ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। এর ফলে সাময়িকভাবে কাজ হারানো কর্মীরা নির্দিষ্ট শর্তে আর্থিক সহায়তা পেতে পারেন।

অন্যদিকে, সম্ভাব্য মূল হোতাদের শনাক্ত করতে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী নুনেজ জানিয়েছেন, প্রায় ২০০ জন তদন্তকারী সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করছেন। সহিংসতায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করা এবং লুট হওয়া পণ্যের সন্ধান পাওয়াই তদন্তের অন্যতম লক্ষ্য।

দাঙ্গা ও লুটপাটের সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে ফ্রান্সের ব্যবসা-বাণিজ্যে। দেশটির চেম্বারস অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (সিসিআই) প্রধানের তথ্য অনুযায়ী, সপ্তাহান্তের সহিংসতায় দুই হাজারের বেশি দোকান ও অন্যান্য ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান সরাসরি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সংগঠনটির প্রধান অ্যালাইন ডি ক্রেসেনজো ফরাসি সম্প্রচারমাধ্যম আরটিএলকে বলেছেন, দাঙ্গায় আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ কয়েক কোটি ইউরো হতে পারে। ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, লুটপাট এবং ব্যবসা বন্ধ থাকার কারণে ক্ষতির পরিমাণ আরও বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

মার্সেইয়ের ব্যবসায়ীরাও পরিস্থিতি নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। সিসিআইয়ের মার্সেই শাখার সভাপতি জঁ-লুক শোভ্যাঁ বিবিসিকে বলেন, শহরের অনেক দোকানমালিক চরম দুর্দশার মধ্যে রয়েছেন। তাঁদের কেউ কেউ নিজেদের ব্যবসার ভবিষ্যৎ নিয়েও শঙ্কিত।

বিশেষ করে ছোট ব্যবসায়ীদের জন্য এই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা কঠিন হতে পারে। একটি দোকানে আগুন লাগলে বা মূল্যবান পণ্য লুট হয়ে গেলে শুধু মালিকই নন, সেখানে কর্মরত কর্মচারী ও তাঁদের পরিবারও আর্থিক সংকটে পড়তে পারেন।

ফ্রান্সের দুই মন্ত্রী অভিযোগ করেছেন, দাঙ্গার সময় লুট করা কিছু পণ্য অনলাইন বিক্রয় প্ল্যাটফর্মে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। এ ঘটনায় চোরাই পণ্য কেনাবেচা বন্ধ করতে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর চাপ বাড়ছে।

অনলাইন মার্কেটপ্লেস ভিন্টেডের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, চোরাই পণ্য বিক্রি করা কিংবা বিক্রির জন্য এমন পণ্যের বিজ্ঞাপন দেওয়া কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। প্রতিষ্ঠানটি আরও জানিয়েছে, লুটপাটের সঙ্গে সম্পর্কিত সন্দেহজনক তালিকা শনাক্ত করে সরিয়ে দিতে তারা ব্যবস্থা নিয়েছে এবং নজরদারি বাড়িয়েছে।

তদন্তকারীরা অনলাইন বিজ্ঞাপন, সিসিটিভি ফুটেজ এবং অন্যান্য তথ্য বিশ্লেষণ করে লুট হওয়া পণ্যের গতিপথ শনাক্ত করার চেষ্টা করছেন। তবে সব অভিযোগের সত্যতা তদন্তের মাধ্যমে যাচাই করা জরুরি।

ফ্রান্সে চলমান আন্দোলনের সূত্রপাত গত মাসে শিক্ষার্থীদের উন্নত স্কুল পরিবেশের দাবিকে কেন্দ্র করে। পরে আন্দোলনের পরিধি বাড়তে থাকে। জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি, জ্বালানির দাম, সরকারি পরিষেবার মান এবং শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এতে যোগ দেন।

সপ্তাহান্তে শ্রমিক সংগঠন ও বিভিন্ন প্রতিবাদী গোষ্ঠীর অংশগ্রহণে বিক্ষোভ আরও বড় আকার ধারণ করে। দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রায় পাঁচ লাখ ৫০ হাজার মানুষ রাস্তায় নেমেছিলেন।

তবে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের পাশাপাশি বিভিন্ন শহরে সহিংসতার ঘটনাও ঘটে। প্যারিস, মার্সেই এবং অন্যান্য শহরে কালো পোশাক ও মুখোশ পরা কিছু ব্যক্তিকে গাড়ি ও ভবনে আগুন দিতে এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে লুটপাট চালাতে দেখা যায়।

লিমোজ শহরের কেন্দ্রস্থলে আগুনে উনিশ শতকের একটি ঐতিহাসিক সিটি হল পুড়ে যায় বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। আগুন ছড়িয়ে পড়ার একপর্যায়ে ভবনটির ঘড়ির টাওয়ার ও ছাদ ধসে পড়ে। ঐতিহাসিক স্থাপনাটির ক্ষতি স্থানীয় ঐতিহ্য ও নগরজীবনের ওপরও বড় আঘাত হিসেবে দেখা হচ্ছে।

ফ্রান্সের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বিভিন্ন দেশের কূটনৈতিক মিশন। যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস তাদের নাগরিকদের বিক্ষোভপ্রভাবিত এলাকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছে। বড় জমায়েতের কাছাকাছি থাকলে সতর্কথাকার আহ্বানও জানানো হয়েছে।

চীন ও জার্মানিও একই ধরনের সতর্কবার্তা দিয়েছে। এসব নির্দেশনার মূল উদ্দেশ্য হলো, সহিংসতা ছড়িয়ে পড়লে বিদেশি নাগরিকেরা যেন অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে না পড়েন।

ফ্রান্সে ভ্রমণরত পর্যটক ও বিদেশি নাগরিকদের জন্য স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুসরণ করা, কারফিউয়ের সময় বাইরে না থাকা এবং জরুরি পরিস্থিতিতে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

দাঙ্গার ঘটনাকে কেন্দ্র করে ফ্রান্সের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে উত্তেজনা বেড়েছে। কয়েকজন রাজনীতিক বামপন্থী দল লা ফ্রঁস আঁসোমিজকে সহিংসতার জন্য দায়ী করার চেষ্টা করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী লেকর্নু অভিযোগ করেছেন, কিছু গোষ্ঠী পরবর্তী প্রেসিডেন্ট নির্বাচন পর্যন্ত দেশে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করতে চায়। তবে এ অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ উপস্থাপনের দাবি জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট দলের নেতা জঁ-লুক মেলঁশোঁ।

আগামী বছরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা রয়েছে মেলঁশোঁর। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে অভিযোগের প্রমাণ দিতে অথবা ক্ষমা চাইতে বলেছেন। তাঁর বক্তব্য, প্রমাণ ছাড়া রাজনৈতিক দলকে দাঙ্গার সঙ্গে যুক্ত করা উচিত নয়।

এ পরিস্থিতিতে সহিংসতার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করা, দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া এবং রাজনৈতিক বিতর্কের বাইরে গিয়ে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা ফরাসি সরকারের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ফ্রান্সজুড়ে দাঙ্গা, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগ দেশটির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, অর্থনীতি এবং রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার ওপর চাপ তৈরি করেছে। কারফিউ, গ্রেপ্তার, তদন্ত এবং ক্ষতিপূরণের পরিকল্পনার মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে সরকার।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ