সর্বাধিক পঠিত

spot_img

সর্বশেষ আপডেট...

Homeনির্বাচনউপনির্বাচনেও সেনা মোতায়েন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ইসির

উপনির্বাচনেও সেনা মোতায়েন, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত ইসির

উপনির্বাচনগুলোতেও জাতীয় নির্বাচনের মতো নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক,নিউজবাংলা, ১৭ সেপ্টেম্বর : জাতীয় নির্বাচনের মতো উপনির্বাচনেও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী মোতায়েন এবং আধুনিক প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করবে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। একই সঙ্গে আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন সম্পন্ন করার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে কমিশন। তবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজনের ক্ষেত্রে পরীক্ষা, রমজান ও অন্যান্য জাতীয় কর্মসূচির সময়সূচি বিবেচনায় নিতে হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

নির্বাচন কমিশনের পরিকল্পনা অনুযায়ী, জাতীয় নির্বাচনের মতো উপনির্বাচনেও নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা, ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার পরিবেশ এবং নির্বাচনী কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার বিষয়টি সামনে রেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে কমিশন।

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, উপনির্বাচনগুলোতেও জাতীয় নির্বাচনের মতো নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

এতে বোঝা যাচ্ছে, শুধু জাতীয় নির্বাচন নয়, সংসদীয় আসনের উপনির্বাচনেও নিরাপত্তা ও প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থাপনার ওপর গুরুত্ব দিচ্ছে ইসি। তবে কোন উপনির্বাচনে কতসংখ্যক সেনাসদস্য মোতায়েন করা হবে, সে বিষয়ে বৈঠকে বিস্তারিত তথ্য জানানো হয়নি।

স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়েও নির্বাচন কমিশন প্রস্তুতি শুরু করেছে। কমিশনের লক্ষ্য, আগামী বছরের ৬ জুনের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ করা।

ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন দেশের স্থানীয় সরকার ব্যবস্থার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই নির্বাচনের মাধ্যমে ইউনিয়ন পর্যায়ে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেন ভোটাররা। ফলে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্বাচন আয়োজন করতে হলে আগেভাগেই প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিতে হবে।

নির্বাচন কমিশনার বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শেষ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে অন্যান্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন এবং উপনির্বাচনের সময়সূচিও সমন্বয় করার চেষ্টা চলছে।

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, নভেম্বর ও ডিসেম্বর মাসে দেশজুড়ে বিভিন্ন স্তরের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এরপর জানুয়ারিতে কিছুটা সময় পাওয়া গেলেও তার পরপরই পবিত্র রমজান শুরু হবে। একই সময়ে মাধ্যমিক, উচ্চমাধ্যমিকসহ বিভিন্ন পাবলিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে একাধিক নির্বাচন আয়োজনের জন্য উপযুক্ত সময় নির্ধারণ করা কমিশনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ নির্বাচনের সময়সূচি নির্ধারণের ক্ষেত্রে ভোটারদের অংশগ্রহণ, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম, প্রশাসনের দায়িত্ব এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হয়।

কমিশন তাই বিভিন্ন কর্মসূচির সঙ্গে সমন্বয় করে নির্বাচন আয়োজনের পরিকল্পনা করছে।

বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, উপনির্বাচন এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভোট আয়োজনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান তিনি।

নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনেও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবে কোন প্রযুক্তি কীভাবে ব্যবহার করা হবে, সে বিষয়ে কমিশনার বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি।

জাতীয় নির্বাচনের মতো উপনির্বাচনেও প্রযুক্তির সর্বোচ্চ ব্যবহার করার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়ে কমিশন নির্বাচনী কার্যক্রমকে আরও সমন্বিতভাবে পরিচালনার পরিকল্পনার ইঙ্গিত দিয়েছেন।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ