spot_imgspot_img

সর্বাধিক পঠিত

spot_img

সর্বশেষ আপডেট...

Homeদেশজুড়েধর্মকে পুঁজি করে যারা সস্তা রাজনীতি করতে চাই ও অশান্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ...

ধর্মকে পুঁজি করে যারা সস্তা রাজনীতি করতে চাই ও অশান্তির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ার আহ্বান- বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী

ধর্মকে পুঁজি করে যারা সস্তা রাজনীতির নামে বাংলাদেশকে বিভক্তি করতে চাইবে, অশান্তি সৃষ্টির পায়তারা করবে, তিনি যে রাজনৈতিক দলের নেতা হোক না কেন, বা যে ধর্মের বিশ্বাসী হোক না কেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে সম্মলিতভাবে সামাজিক প্রতিরোধ করবো। এক্ষেত্রে সরকার রাষ্ট্র তো থাকবেই; সামাজিক ভাবেও বয়কট করবো।’

জেলা প্রতিনিধি,৪ সেপ্টেম্বর : ধর্মকে পুঁজি করে যারা সস্তা রাজনীতির নামে বাংলাদেশকে বিভক্তির পায়তারা করতে চাই তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত। তিনি আজ শুক্রবার দুপুরে যশোর শহরের টাউন হল ময়দানে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উপলক্ষে আলোচনা সভায় এই মন্তব্য করেন।

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত বলেন, ‘কেউ কেউ ধর্মকে ব্যবহার করে অশান্তি সৃষ্টি করতে চাই। ধর্মকে ব্যবহার করে সমাজে বিভক্তির রেখা টানতে চাই। ধর্মকে রাজনীতির গুটি হিসাবে ব্যবহার করতে চাই। এটি রাজনীতির মাঠে নিয়ে এসে অনৈতিক সুবিধা লাভের মাধ্যমে হতে পারে না।

ধর্মকে পুঁজি করে যারা সস্তা রাজনীতির নামে বাংলাদেশকে বিভক্তি করতে চাইবে, অশান্তি সৃষ্টির পায়তারা করবে, তিনি যে রাজনৈতিক দলের নেতা হোক না কেন, বা যে ধর্মের বিশ্বাসী হোক না কেন, আমরা তাদের বিরুদ্ধে সম্মলিতভাবে সামাজিক প্রতিরোধ করবো। এক্ষেত্রে সরকার রাষ্ট্র তো থাকবেই; সামাজিক ভাবেও বয়কট করবো।’

ধর্ম বিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে সমাজে কেউ বঞ্চিত হবে না এটি বর্তমান সরকার নিশ্চিত করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘ধর্ম নিচক একটি বিশ্বাস, একটি চেতনা। এই গণতান্ত্রিক সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নিশ্চিত করছে- কোন ধর্ম বিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে সমাজের কোন মানুষ পিছিয়ে পড়বে না, ধর্ম বিশ্বাসের ভিন্নতার কারণে কেউ যেন অতিরিক্ত সুবিধা নিতে না পারে; কেউ যেন বঞ্চিত না হতে পারে সেটিও নিশ্চিত করছে বর্তমান সরকার।

এই বিশ্বাস তৈরি করতে পারলে বা পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনতে পারলে- যেই আশায় আমরা বুঁকবেধেছি ২৪ এর গণঅভ্যুত্থানের পর সেই আশা নিশ্চয়ই দুরাশায় পরিণত হবে না।’
জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি দিপাঙ্কর দাস রতনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা পরিষদের প্রশাসক দেলোয়ার হোসেন খোকন, পুলিশ সুপার সৈয়দ রফিকুল ইসলাম, যশোর পৌরসভার প্রশাসক রফিকুল হাসান, জেলা বিএনপির সভাপতি সাবেরুল হক সাবু, যশোর রামকৃষ্ণ আশ্রম ও মিশনের অধ্যক্ষ স্বামী জ্ঞানপ্রকাশানন্দ।

বক্তব্য শেষে অতিথিরা দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধ কামনায় মঙ্গল প্রদীপ প্রজ্জ্বলন করেন। পরে টাউন হল ময়দান থেকে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা বের হয়। শোভাযাত্রাটি শহরের দড়াটানা, গাড়িখানা হয়ে টাউন হল ময়দানে যেয়ে শেষ হয়। এতে হাজারো মানুষ অংশ নেন। এছাড়া শ্রীকৃষ্ণের জন্মতিথিতে দিনভর উৎসবমুখর বিরাজ করছে জেলার হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষের ভিতর। বিভিন্ন মন্দির, মঠ ও পূজামণ্ডপে চলছে দিনব্যাপী ধর্মীয় অনুষ্ঠান।

আয়োজনের মধ্যে রয়েছে শোভাযাত্রা, গীতাযজ্ঞ, কীর্তন, আরতি, প্রসাদ বিতরণ ও আলোচনা সভা। এদিকে জন্মাষ্টমী উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন সামাজিক ও ধর্মীয় সংগঠনের নেতারাও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের পাশাপাশি এ উৎসব দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও পারস্পরিক সৌহার্দ্য আরও দৃঢ় করবে।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ