spot_imgspot_img

সর্বাধিক পঠিত

spot_img

সর্বশেষ আপডেট...

Homeরাজনীতিসংসদে মির্জা আব্বাসের কান্নাভেজা বক্তব্য: ‘আমি ফিরে এসেছি মানুষের জন্য

সংসদে মির্জা আব্বাসের কান্নাভেজা বক্তব্য: ‘আমি ফিরে এসেছি মানুষের জন্য

বক্তব্য দেওয়ার সময় একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কথা বলতে বলতে তার কণ্ঠ ভারী হয়ে, চোখে পানি আসতে দেখা যায়। তার আবেগঘন বক্তব্যে সংসদ কক্ষে তৈরি হয় নীরবতা ও আবেগময় পরিবেশ।

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা,৩ সেপ্টেম্বর : দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকার পর জাতীয় সংসদে ফিরে এসেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো যোগ দেন। অসুস্থতার কারনে বসেই সংসদে বক্তব্য দেন এই প্রবীণ রাজনীতিক নেতা।

মির্জা আব্বাস সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কথা বলতে বলতে তার কণ্ঠ ভারী হয়ে, চোখে পানি আসতে দেখা যায়। তার আবেগঘন বক্তব্যে সংসদ কক্ষে তৈরি হয় নীরবতা ও আবেগময় পরিবেশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে অধিবেশন শুরু হওয়ার কিছু সময় পরে সংসদে প্রবেশ করেন মির্জা আব্বাস। গুরুতর অসুস্থতার কারণে দীর্ঘ সময় বিদেশে চিকিৎসা নিতে হয়েছে তাকে। এ কারণে তিনি সংসদের অধিবেশনে নিয়মিত উপস্থিত থাকতে পারেননি।

সংসদে বক্তব্যের শুরুতেই তিনি মহান জাতীয় সংসদের এই কক্ষে আবার কথা বলার সুযোগ পাওয়াকে আনন্দ, গর্ব ও সৌভাগ্যের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে আল্লার দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন। এসময় জানান, তার চিকিৎসা এখনো শেষ হয়নি।

মির্জা আব্বাস বলেন, চিকিৎসার মাঝপথেই সংসদের প্রতি আবেগ, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ থেকে তিনি অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন। শারীরিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও দেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্বকে তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন।

নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ তুলে মির্জা আব্বাস জানান, ২০০৬ সালের পর এই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদের এই কক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেলেন।

দীর্ঘ বিরতির পর সংসদে ফিরে আসার দিনটিকে তিনি নিজের রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম আবেগঘন ও স্মরণীয় দিন হিসেবে উল্লেখ করেন। তার বক্তব্যে উঠে আসে রাজনীতির দীর্ঘ পথচলা, অসুস্থতার কঠিন সময় এবং আবার মানুষের কাছে ফিরে আসার প্রত্যয়।

তিনি বলেন, বর্তমান সংসদের যাত্রা শুরুর পরপরই ১১ মার্চ ২০২৬ তিনি গুরুতর স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বিদেশে চিকিৎসা নিতে হয়। সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন থাকায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সংসদে নিয়মিত উপস্থিত হতে পারেননি।

নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থার কথাও সংসদে তুলে ধরেন মির্জা আব্বাস। তিনি জানান, এখনো চিকিৎসা চলছে এবং পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া শেষ হয়নি।

তারপরও সংসদে ফিরে আসতে পেরে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া দীর্ঘ সাড়ে পাঁচ মাস বিদেশে চিকিৎসাধীন থাকার পর জাতীয় সংসদে ফিরে এসেছেন বিএনপির সংসদ সদস্য মির্জা আব্বাস। তিনি বৃহস্পতিবার (৩ সেপ্টেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রথমবারের মতো যোগ দেন। অসুস্থতার কারনে বসেই সংসদে বক্তব্য দেন এই প্রবীণ রাজনীতিক নেতা।

মির্জা আব্বাস সংসদে বক্তব্য দেওয়ার সময় একপর্যায়ে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। কথা বলতে বলতে তার কণ্ঠ ভারী হয়ে, চোখে পানি আসতে দেখা যায়। তার আবেগঘন বক্তব্যে সংসদ কক্ষে তৈরি হয় নীরবতা ও আবেগময় পরিবেশ।

বৃহস্পতিবার দুপুরে অধিবেশন শুরু হওয়ার কিছু সময় পরে সংসদে প্রবেশ করেন মির্জা আব্বাস। গুরুতর অসুস্থতার কারণে দীর্ঘ সময় বিদেশে চিকিৎসা নিতে হয়েছে তাকে। এ কারণে তিনি সংসদের অধিবেশনে নিয়মিত উপস্থিত থাকতে পারেননি।

সংসদে বক্তব্যের শুরুতেই তিনি মহান জাতীয় সংসদের এই কক্ষে আবার কথা বলার সুযোগ পাওয়াকে আনন্দ, গর্ব ও সৌভাগ্যের বিষয় হিসেবে উল্লেখ করে আল্লার দরবারে শুকরিয়া আদায় করেন। এসময় জানান, তার চিকিৎসা এখনো শেষ হয়নি।

মির্জা আব্বাস বলেন, চিকিৎসার মাঝপথেই সংসদের প্রতি আবেগ, ভালোবাসা ও দায়িত্ববোধ থেকে তিনি অধিবেশনে যোগ দিয়েছেন। শারীরিক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও দেশের মানুষের প্রতিনিধিত্ব করার দায়িত্বকে তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন।

নিজের দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনের প্রসঙ্গ তুলে মির্জা আব্বাস জানান, ২০০৬ সালের পর এই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদের এই কক্ষে বক্তব্য দেওয়ার সুযোগ পেলেন।

দীর্ঘ বিরতির পর সংসদে ফিরে আসার দিনটিকে তিনি নিজের রাজনৈতিক জীবনের অন্যতম আবেগঘন ও স্মরণীয় দিন হিসেবে উল্লেখ করেন। তার বক্তব্যে উঠে আসে রাজনীতির দীর্ঘ পথচলা, অসুস্থতার কঠিন সময় এবং আবার মানুষের কাছে ফিরে আসার প্রত্যয়।

তিনি বলেন, বর্তমান সংসদের যাত্রা শুরুর পরপরই ১১ মার্চ ২০২৬ তিনি গুরুতর স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। পরে শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে বিদেশে চিকিৎসা নিতে হয়। সিঙ্গাপুর ও মালয়েশিয়ায় চিকিৎসাধীন থাকায় ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও সংসদে নিয়মিত উপস্থিত হতে পারেননি।

নিজের বর্তমান শারীরিক অবস্থার কথাও সংসদে তুলে ধরেন মির্জা আব্বাস। তিনি জানান, এখনো চিকিৎসা চলছে এবং পুরোপুরি সুস্থ হয়ে ওঠার প্রক্রিয়া শেষ হয়নি।

তারপরও সংসদে ফিরে আসতে পেরে মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আদায় করেন তিনি। তার বক্তব্যে অসুস্থতার সময়টিতে পাওয়া মানুষের ভালোবাসা ও দোয়ার কথাও উঠে আসে।

মির্জা আব্বাস বলেন, কঠিন সময়ে যারা তার জন্য দোয়া করেছেন, নিয়মিত খোঁজ নিয়েছেন এবং পাশে থেকেছেন, তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। দলীয় পরিচয়ের বাইরে থেকেও অনেকে তার সুস্থতা কামনা করেছেন। এসব মানুষের আন্তরিকতা তাকে কঠিন সময় পার হওয়ার সাহস দিয়েছে বলে জানান তিনি।

অসুস্থতার সময়ে খোঁজখবর নেওয়ায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মির্জা আব্বাস।

তিনি জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ নিয়েছেন। এ জন্য তাদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

তার বক্তব্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে মানবিক সম্পর্ক ও সহমর্মিতার বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পায়।

সংসদের স্পিকারের প্রতিও বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, অসুস্থ অবস্থায় স্পিকার নিজে তাকে দেখতে গিয়েছিলেন। তখন তিনি অচেতন থাকায় স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি।

পরবর্তীতে বিষয়টি জানতে পেরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বলে জানান তিনি।

মির্জা আব্বাসের ভাষায়, স্পিকারের এই আচরণ শুধু একজন অসুস্থ মানুষের প্রতি সহমর্মিতার প্রকাশ নয়; এটি সংসদীয় গণতন্ত্রের মানবিক দিকেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। একজন সংসদ সদস্য, অসুস্থ মানুষ ও সহকর্মীর প্রতি স্পিকার যে আন্তরিকতা দেখিয়েছেন, তা তাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে বলে জানান তিনি।

সংসদে ফিরে এসে রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য নিয়েও কথা বলেন মির্জা আব্বাস। তার মতে, জাতীয় রাজনীতি কেবল মতের পার্থক্য কিংবা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার জায়গা নয়। রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, জাতীয় সংসদও শুধু বিতর্কের জায়গা নয়। দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, সমস্যা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানোর অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান হচ্ছে সংসদ।

এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বের বিষয়টি সামনে আনেন। তার মতে, একজন সংসদ সদস্যের প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের কথা সংসদে তুলে ধরা এবং দেশের মানুষের জন্য কাজ করা।

আবেগঘন বক্তব্যে নিজের রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দুই ব্যক্তিত্বকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন মির্জা আব্বাস।

তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তাদের অবদান ও নেতৃত্বের কথাও স্মরণ করেন তিনি।

মির্জা আব্বাসের বক্তব্যে তার রাজনৈতিক আদর্শ, দীর্ঘ পথচলা এবং বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে আসে।

সংসদে নিজের প্রত্যাবর্তনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে মির্জা আব্বাস বলেন, দেশের মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগই তার কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়।

তিনি মহান আল্লাহর কাছে সুস্থতা ও শক্তি কামনা করেন, যাতে নির্বাচনি এলাকার মানুষের পাশাপাশি পুরো বাংলাদেশের মানুষের জন্য জীবনের বাকি সময়টুকু নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যেতে পারেন।

অসুস্থতার পরও সংসদে ফিরে আসার মধ্যে তার দায়িত্ববোধের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে বলে বক্তব্যে উঠে আসে।

দীর্ঘদিন পর সংসদে ফিরে সহকর্মী সংসদ সদস্যদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান মির্জা আব্বাস। অসুস্থতার সময়ে সহকর্মীদের দোয়া, শুভকামনা ও ভালোবাসার কথা স্মরণ করেন তিনি।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, কঠিন সময়ে পাওয়া এই সমর্থন তাকে মানসিকভাবে সাহস জুগিয়েছে। তাই সংসদে ফিরে প্রথম বক্তব্যেই তিনি সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক বিরতির পর আবার জাতীয় সংসদের কক্ষে ফিরে নিজের অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি মির্জা আব্বাস।

তার বক্তব্যের শেষদিকে উঠে আসে একটি স্পষ্ট বার্তা তিনি মানুষের জন্য কাজ করতে ফিরে এসেছেন। শারীরিক অসুস্থতা এখনো পুরোপুরি কাটেনি, চিকিৎসাও চলছে। তবু জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে উপস্থিত হওয়ার আকাঙ্ক্ষাই তাকে অধিবেশনে নিয়ে এসেছে।

আবেগঘন বক্তব্যে তিনি জানান, জীবনের বাকি সময়টুকু দেশের মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে চান করেন তিনি। তার বক্তব্যে অসুস্থতার সময়টিতে পাওয়া মানুষের ভালোবাসা ও দোয়ার কথাও উঠে আসে।

মির্জা আব্বাস বলেন, কঠিন সময়ে যারা তার জন্য দোয়া করেছেন, নিয়মিত খোঁজ নিয়েছেন এবং পাশে থেকেছেন, তাদের প্রতি তিনি কৃতজ্ঞ। দলীয় পরিচয়ের বাইরে থেকেও অনেকে তার সুস্থতা কামনা করেছেন। এসব মানুষের আন্তরিকতা তাকে কঠিন সময় পার হওয়ার সাহস দিয়েছে বলে জানান তিনি।

অসুস্থতার সময়ে খোঁজখবর নেওয়ায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর প্রতিও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন মির্জা আব্বাস।

তিনি জানান, চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী তার শারীরিক অবস্থার বিষয়ে নিয়মিত খোঁজ নিয়েছেন। এ জন্য তাদের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান তিনি।

তার বক্তব্যে রাজনৈতিক মতপার্থক্যের ঊর্ধ্বে মানবিক সম্পর্ক ও সহমর্মিতার বিষয়টিও বিশেষ গুরুত্ব পায়।

সংসদের স্পিকারের প্রতিও বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান মির্জা আব্বাস। তিনি বলেন, অসুস্থ অবস্থায় স্পিকার নিজে তাকে দেখতে গিয়েছিলেন। তখন তিনি অচেতন থাকায় স্পিকারের সঙ্গে দেখা করতে পারেননি।

পরবর্তীতে বিষয়টি জানতে পেরে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন বলে জানান তিনি।

মির্জা আব্বাসের ভাষায়, স্পিকারের এই আচরণ শুধু একজন অসুস্থ মানুষের প্রতি সহমর্মিতার প্রকাশ নয়; এটি সংসদীয় গণতন্ত্রের মানবিক দিকেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত। একজন সংসদ সদস্য, অসুস্থ মানুষ ও সহকর্মীর প্রতি স্পিকার যে আন্তরিকতা দেখিয়েছেন, তা তাকে গভীরভাবে স্পর্শ করেছে বলে জানান তিনি।

সংসদে ফিরে এসে রাজনীতির মূল উদ্দেশ্য নিয়েও কথা বলেন মির্জা আব্বাস। তার মতে, জাতীয় রাজনীতি কেবল মতের পার্থক্য কিংবা রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার জায়গা নয়। রাজনীতির মূল লক্ষ্য মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করা।

তিনি বলেন, জাতীয় সংসদও শুধু বিতর্কের জায়গা নয়। দেশের মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, সমস্যা ও প্রত্যাশার প্রতিফলন ঘটানোর অন্যতম প্রধান প্রতিষ্ঠান হচ্ছে সংসদ।

এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে তিনি জনপ্রতিনিধিদের দায়িত্বের বিষয়টি সামনে আনেন। তার মতে, একজন সংসদ সদস্যের প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের কথা সংসদে তুলে ধরা এবং দেশের মানুষের জন্য কাজ করা।

আবেগঘন বক্তব্যে নিজের রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দুই ব্যক্তিত্বকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন মির্জা আব্বাস।

তিনি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা প্রকাশ করেন। রাজনৈতিক জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে তাদের অবদান ও নেতৃত্বের কথাও স্মরণ করেন তিনি।

মির্জা আব্বাসের বক্তব্যে তার রাজনৈতিক আদর্শ, দীর্ঘ পথচলা এবং বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে তার সম্পৃক্ততার বিষয়টি উঠে আসে।

সংসদে নিজের প্রত্যাবর্তনের উদ্দেশ্য স্পষ্ট করে মির্জা আব্বাস বলেন, দেশের মানুষের জন্য কাজ করার সুযোগই তার কাছে সবচেয়ে বড় বিষয়।

তিনি মহান আল্লাহর কাছে সুস্থতা ও শক্তি কামনা করেন, যাতে নির্বাচনি এলাকার মানুষের পাশাপাশি পুরো বাংলাদেশের মানুষের জন্য জীবনের বাকি সময়টুকু নিষ্ঠা, সততা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করে যেতে পারেন।

অসুস্থতার পরও সংসদে ফিরে আসার মধ্যে তার দায়িত্ববোধের বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে বলে বক্তব্যে উঠে আসে।

দীর্ঘদিন পর সংসদে ফিরে সহকর্মী সংসদ সদস্যদের প্রতিও কৃতজ্ঞতা জানান মির্জা আব্বাস। অসুস্থতার সময়ে সহকর্মীদের দোয়া, শুভকামনা ও ভালোবাসার কথা স্মরণ করেন তিনি।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, কঠিন সময়ে পাওয়া এই সমর্থন তাকে মানসিকভাবে সাহস জুগিয়েছে। তাই সংসদে ফিরে প্রথম বক্তব্যেই তিনি সহকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।

দীর্ঘ রাজনৈতিক বিরতির পর আবার জাতীয় সংসদের কক্ষে ফিরে নিজের অনুভূতির কথা বলতে গিয়ে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি মির্জা আব্বাস।

তার বক্তব্যের শেষদিকে উঠে আসে একটি স্পষ্ট বার্তা তিনি মানুষের জন্য কাজ করতে ফিরে এসেছেন। শারীরিক অসুস্থতা এখনো পুরোপুরি কাটেনি, চিকিৎসাও চলছে। তবু জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে সংসদে উপস্থিত হওয়ার আকাঙ্ক্ষাই তাকে অধিবেশনে নিয়ে এসেছে।

আবেগঘন বক্তব্যে তিনি জানান, জীবনের বাকি সময়টুকু দেশের মানুষের কল্যাণে কাজে লাগাতে চান।

মন্তব্য করুন

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় সংবাদ